প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চিটাগাং চেম্বারকে শতবর্ষী ও প্রাচীন উল্লেখ করে সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেছেন, চেম্বারের ধারাবাহিক উদ্যোগ, তদবির ও নীতিগত সমর্থনের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে কাস্টমসের ৪২টি ধাপ থেকে ৬ ধাপে উন্নীত হয়েছে। যুগান্তকারী এই পদক্ষেপের ফলে ব্যবসায়ীদের কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস যেমন কমেছে তেমনি বেড়েছে ইজ অব ডুয়িং বিজনেস।
ভবিষ্যতেও চিটাগাং চেম্বার সরকারের সাথে বন্দর উন্নয়নে পিপিপি মডেলে কাজ করতে আগ্রহী।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দের সাথে যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি ইন্টারটেকের প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস বাড়াতে এবং কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমাতে কাজ করছে এ চেম্বার। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সংক্রান্ত যেকোনো পলিসিগত সহায়তা দিতে সরকারের সাথে কাজ করে চট্টগ্রাম চেম্বার।
ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অ্যাডভোকেসি সহায়তাও দিয়ে থাকে এ চেম্বার।
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত সভায় চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী ও সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মসিউল আলম স্বপন, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ ছালাম, পরিচালক আসাদ ইফতেখার, ইন্টারটেকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক রিজিওনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজয় কাপুর, বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিয়ামুল হাসান, কান্ট্রি হেড অব সেলস অ্যান্ড সিআরএম আলিজা সুলতান, চট্টগ্রামের হেড অব সেলস রফিক আহমেদ ও বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক খন্দকার বেলায়েত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এমএ ছালাম বলেন, চিটাগাং চেম্বার শুরু থেকেই ব্যবসায়ীদের কল্যাণে কাজ করছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ উন্নয়নেও কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও চেম্বার এই ধারা অব্যাহত রাখবে।
দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক রিজিওনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজয় কাপুর বলেন, ইন্টারটেক ১৩০ বছরের পুরাতন কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটির জন্য বাংলাদেশ একটি কৌশলগত বাজার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে ইন্টারটেক বাংলাদেশে বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগে আগ্রহী। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস বাড়াতে এবং প্রযুক্তিগত সেক্টরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।


