প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণে সরকারি চাকরিজীবীদের অনলাইনে নিজেদের চাকরি-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতনের পাশাপাশি পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তথ্যও দিতে হবে।
এসব তথ্যের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথিও প্রস্তুত রাখতে হবে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া বেতন নির্ধারণের এ প্রক্রিয়া আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।
‘আইবাস প্লাস প্লাস’ সফটওয়্যারের ‘পে ফিক্সেশন’ মডিউলে এসব তথ্য দিতে হবে। এ জন্য সফটওয়্যারে নিবন্ধিত মোবাইল ফোন নম্বর প্রয়োজন হবে।
নাম, এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও বেতনসংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। কারো এনআইডি না থাকলে চাকরির নথিতে থাকা জন্মতারিখ ও অন্যান্য তথ্য হালনাগাদ করে আবেদন করতে হবে।
চাকরিজীবীরা তথ্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই করবে।
তথ্য ও নথির মধ্যে অসংগতি থাকলে সংশোধনের সুযোগ থাকবে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হলে নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল তৈরি এবং বকেয়া পাওনার হিসাব করা হবে। অনলাইনে তথ্য দিতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চলতি অক্টোবরের বেতন নভেম্বরে নতুন কাঠামোর প্রথম ধাপ অনুযায়ী দেওয়া হবে। ১ জুলাই থেকে নতুন কাঠামো কার্যকর ধরা হবে।
ফলে তিন মাসের বকেয়া পাওনাও পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
১৯ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরোনো ও নতুন বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৭০ শতাংশ এবং ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
বেতন নির্ধারণের কাজে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রমে সিএএফও, ডিসিএ, ডিএএফও ও ইউএও কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নিচ্ছেন।


