প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
তিনি বলেছেন, এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে তিন জেলায় পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের আয়োজনে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যশস্য বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাল ও গমের পর্যাপ্ত মজুদ এবং গুণগত মান বজায় রাখা জরুরি। আমদানিসহ সব উৎস থেকে সংগ্রহ করা খাদ্যশস্য নির্ধারিত মান পূরণ করলেই গ্রহণ করতে হবে। মানের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। বিতরণ করা খাদ্যশস্যের প্যাকেটে নির্ধারিত সিল দিতে হবে। এতে বিতরণপ্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সহজ হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নজরদারি জোরদার করা হবে। খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ জরুরি। খাদ্য পরীক্ষার কার্যক্রম জোরদার করতে ভবিষ্যতে দেশের ৬৪ জেলায় পরীক্ষার যানবাহন সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মু. জসীম উদ্দিন খান ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। সভায় খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারারা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভা শেষে খাদ্যমন্ত্রী নগরের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন।


