Friday, July 3, 2026
spot_img
Homeমুল পাতাস্মার্টফোনের গতি বাড়াতে যা করবেন

স্মার্টফোনের গতি বাড়াতে যা করবেন

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

স্মার্টফোন ধীরগতির হয়ে পড়লে সেটি ব্যবহার করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে ব্যবহারকারীদের। পুরোনো ফোন ধীরগতির হয়ে পড়লে অনেকেই নতুন ফোন কেনার সিদ্ধান্ত নেন। তবে কিছু সমাধান প্রয়োগ করে সহজেই আমাদের ফোনকে আবার গতিশীল করতে পারি। সেই সমাধানগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো—

অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করুন

স্মার্টফোন ধীরগতির হয়ে পড়ার প্রধান এবং অন্যতম কারণ অপারেটিং সিস্টেম যথাসময়ে আপডেট না করা। নির্দিষ্ট সময় পরপরই মোবাইল কোম্পানি তাঁদের গ্রাহকদের অপারেটিং সিস্টেমের আপডেট দিয়ে থাকে। এসব আপডেটে অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি এবং ‘ল্যাগ’ ঠিক করে ত্রুটিমুক্ত সংস্করণ গ্রাহকদের দেওয়া হয়। অপারেটিং সিস্টেম সময়মতো আপডেট না করলে স্মার্টফোন ধীরগতির হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অ্যাপস আপডেট করুন

অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি স্মার্টফোনের অ্যাপসগুলো আপডেট করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনো অ্যাপের নতুন আপডেট এলে সেই অ্যাপ আপনাকে তা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানাবে। সময়মতো অ্যাপগুলো আপডেট না করলে অ্যাপগুলো ঠিকভাবে কাজ করে না। এর ফলে ফোনের গতি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ফোনের মেমোরি কিছু খালি রাখুন

স্মার্টফোনে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ছবি, গান, ভিডিও ইত্যাদি রেখে থাকেন। যার ফলে স্মার্টফোনের মেমোরিতে জায়গা কমে যায় অনেকটুকু। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকে মেমোরি ফাইল দিয়ে পূর্ণ করে রাখেন। ফোনটি তখন অ্যাপের অস্থায়ী ফাইল আর রাখতে পারে না। এ কারণে ফোনটি একদম ধীরগতির হয়ে পড়ে। এ জন্য আমাদের উচিত ক্ষেত্রবিশেষে ফোনের মেমোরি অন্তত ৫-১০ শতাংশ খালি রাখা। তবে ফোনের নির্ধারিত মেমোরি যথেষ্ট না হলে একটি অতিরিক্ত মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা উচিত।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস ডিলিট কর ফেলুন

মাসে মাত্র একবার ব্যবহার করা হয়—এমন অ্যাপ অনেকেই ফোনে ইনস্টল করে রেখে দেন। এভাবে চার-পাঁচটি অ্যাপ ইনস্টল করে রাখলে ফোনের মেমোরি পূর্ণ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনার ফোনে এমন অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস থাকলে তা মুছে ফেলুন। শুধু প্রয়োজনের সময় এসব অ্যাপস ইনস্টল করে নেবেন।

ভাইরাস রোধ করুন

ভাইরাস আক্রমণ করলে স্মার্টফোন ধীরগতির হয়ে পড়ে। ভাইরাস রোধে আমাদের মূলত তিনটি বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত। প্রথমত, মোবাইলে সন্দেহজনক কোনো লিংকে প্রবেশ না করা। এসব লিংক থেকে ভাইরাস আক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। দ্বিতীয়ত, কোনো তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট থেকে কোনো অ্যাপ ইনস্টল না করা। প্লে-স্টোর থেকে কোনো অ্যাপ ইনস্টল করলেও অ্যাপটির রিভিউ চেক করে নিতে হবে। সর্বশেষ, নির্ভরযোগ্য কোনো ডিভাইস বাদে অন্য কোনো ডিভাইসের সঙ্গে আপনার ফোন যাতে সংযুক্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কেবল অথবা ব্লুটুথ যে মাধ্যমেই হোক তা পরিহার করতে হবে। অন্যথায় আপনার ফোন ভাইরাস দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

র‍্যামের ওপর চাপ কমান

অনেকেই কোনো একটি অ্যাপ ব্যবহারের পর সেই অ্যাপ পুরোপুরি বন্ধ করেন না। ফলে সেই অ্যাপ ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় অবস্থায় থাকে এবং র‍্যামের জায়গা দখল করে। এভাবে কয়েকটি অ্যাপ একসঙ্গে চালু থাকলে আপনার ফোন ধীরগতির হয়ে পড়বে। এর জন্য একসঙ্গে বেশি অ্যাপ না চালু করে রাখাই ভালো। তবে ঠিক কতগুলো অ্যাপ আপনি চালাতে পারবেন, তা নির্ভর করছে আপনার ফোনের র‍্যামের ধারণক্ষমতার ওপর।

শেষ সমাধান: ফ্যাক্টরি রিসেট

যদি ওপরের কোনো সমাধানেই কাজ না হয়, তবে আপনার ফোনটি ফ্যাক্টরি রিসেট করতে পারেন। এতে করে আপনার ফোনটির অপারেটিং সিস্টেম একদম নতুন অবস্থায় চলে যাবে। তবে ফ্যাক্টরি রিসেট দেওয়ার আগে ফোনের প্রয়োজনীয় ফাইল, তথ্য ইত্যাদি অন্য কোথাও ব্যাকআপ রেখে নেবেন।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়