প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার রাজীব রঞ্জন বলেন, ‘ভারত একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। ভাষা, সংস্কৃতি ও স্থানের ভিন্নতার কারণেই এ বিচিত্রতা। ভারতীয় সংস্কৃতি ফুটে ওঠে চলচ্চিত্রের মাধ্যমেও।
চট্টগ্রাম নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউটে শেষ হলো ‘ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসব-২০২৩’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ভারতের তিনটি আলোচিত চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালিয়ে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ড. রাজীব রঞ্জন।
প্রদর্শিত তিনটি চলচ্চিত্রের মধ্যে একটি অস্কার পুরষ্কার পাওয়া ‘নাটু নাটু’ গানের সিনেমা ‘আরআরআর’। এছাড়া ‘বেলা শুরু’ এবং ‘৮৩’ নামের দুটি চলচ্চিত্রও প্রদর্শিত হয়। উৎসবের আমেজে এসব চলচ্চিত্র দেখতে থিয়েটার ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়াম হল ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজ শাহ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ড. রাজীব রঞ্জন আরও বলেন, ‘ভারতের চলচ্চিত্র বিশ্ব সমাদৃত। ভারতীয় সিনেমা ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রচারের অন্যতম কার্যকরী হাতিয়ার। ভারতীয় সিনেমা বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আমাদের জনগণের মধ্যে বন্ধন ও বন্ধুত্ব তৈরি করতে সাহায্য করছে।
এই মুহূর্তে আমরা একটি স্বর্ণালী যুগ অতিক্রম করছি, দুদেশের জনগণের মধ্যে আরও বেশি সাংস্কৃতিক সম্প্রসারণ করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আর এই চলচ্চিত্র উৎসব সেই নির্লোভ লক্ষ্যেরই পথ।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলা, হিন্দি, মালায়ালাম, তেলেগু নানা ভাষায় চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়। চলচ্চিত্র জগতকে বাঙালি পরিচালকেরাও সমৃদ্ধ করেছেন। সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, বিমল রায়, ঋতুপর্ণ ঘোষের মতো পরিচালকেরা ভারতীয় চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় একাধিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে মনের মানুষ চলচ্চিত্রের কথা স্মরণ করতে পারি। লালন সাঁইজির জীবনের ওপর এটি নির্মিত হয়েছিল। দুই দেশের সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্কের কারণের এ চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হলো।


