Homeমুল পাতাডলারের চাহিদা কমেছে খোলাবাজারে

ডলারের চাহিদা কমেছে খোলাবাজারে

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

গত সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে দেশে খোলা বাজারে ডলারের সর্বোচ্চ রেকর্ড বিক্রয়মূল্য ছিল ১২০ টাকা। এ সময় ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরে ডলারের দাম ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। যেকোনো ঈদের আগে ও পরে ডলারের ব্যাপক চাহিদা থাকে। কারণ এসময় অনেকে মানুষ দেশের বাইরে বেড়াতে যান। প্রতিবছর ঈদে খুচরা বাজারে ডলারের দাম বাড়লেও এবার কিছুটা কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) মতিঝিল ও পল্টনের মানি এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো ঘুরে এসব চিত্র দেখা যায়। তবে এদিন অনেকগুলো এক্সচেঞ্জ হাউজ বন্ধ দেখা গেছে। যেসব হাউজ খোলা রয়েছে সেখানেও গ্রাহক উপস্থিতি অনেক কম।

তথ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহ আগে এসব মানি চেঞ্জারগুলো ১১৩ টাকা ডলার বিক্রি করেছে। আজ ডলার প্রতি যা কমে দাঁড়িয়েছে ১১২ টাকা। এদিন খুচরা বাজারে ডলার ক্রয় করা হয় ১১১ টাকা ৫০ পয়সা।

এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর দেশের খোলাবাজারে নগদ ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক রাজধানীর বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে এবং ডলারের দাম নির্ধারণ করে দেয়। এখন ব্যাংকগুলোর নগদ ডলার বিক্রির চেয়ে দেড় টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করতে পারে মানি এক্সচেঞ্জগুলো। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার এসব নিয়ম মানছে না মানি চেঞ্জারগুলো।

খুচরা ডলার বিক্রেতারা জানায়, এবছর ঈদের আগে দেশের বাজারে ডলারের সরবরাহ ভালো। তবে এসময় ক্রেতাদের চাহিদা অনেক কম। এবার খুব কম মানুষ ডলার ক্রয় করছেন। এর ফলে ডলারের দাম কিছুটা কমেছে।

গত বছর থেকে ডলার সংকট দেখা দেয়। রেমিট্যান্স ও রফতানি আয়েও ব্যাপক ভাটা লাগে। এতেই ডলার সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করে। সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে। আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবাসী আয় বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া নানা উদ্যোগে দেশে শিগগিরই ডলারের সংকট পুরোপুরি কাটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি ডলার খরচ কমাতে যাচাই-বাছাই করে পাসপোর্টে ডলার ব্যবহারের অনুমোদন দিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি কী পরিমাণ ডলার খরচ করা হয়েছে, তাও যাচাই করে দেখতে বলা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, একজন বাংলাদেশি নাগরিক বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার দেশের বাইরে খরচ করতে পারেন।

এদিকে ব্যাংকগুলো রফতানি আয়ের ডলার প্রতি ১০৫ টাকা দেয়। এছাড়া প্রবাসী আয়ের ডলারের দাম ১০৭ টাকা। ডলারের এই দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডলার অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়