প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
ঐতিহাসিক আবদুল জব্বার স্মৃতি বলী খেলা আজ। অন্যান্যবারের মতো এবারেও আজ বসতে যাচ্ছে এই জব্বারের বলী খেলার ১১৫ তম আসর।
ঐতিহাসিক লালদীঘি মাঠে এরই মধ্যে প্রস্তুত হয়ে আছে মঞ্চ। যে মঞ্চে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই করবে চট্টগ্রামসহ সারা দেশের বলীরা। সেই ১৯০৯ সালে বদরপাতি এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগর ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তরুণদের শামিল করতে এই বলী খেলার আয়োজন করেছিলেন। কে জানতো সেদিনের সেই বলী খেলা আজ শতবর্ষী মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। পরিণত হবে দেশের শতবর্ষী ঐতিহ্যে। সময় যতই গড়াচ্ছে, দেশ যতই আধুনিকতার ছোঁয়ায় সমৃদ্ধ হচ্ছে ততই যেন এই জব্বারের বলী খেলার আবেদন দিন দিন বাড়ছে। দেশে শতবর্ষী তেমন কোন ঐতিহ্য এখন আর নেই। একে একে হারিয়ে গেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরুর লড়াই কিংবা বলী খেলা। সেখানে দিনকে দিন যেন তারুণ্যে প্রবেশ করছে জব্বারের বলী খেলা।
ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দান নানা কারণে স্মরণীয়। যার মধ্যে অন্যতম এই জব্বারের বলী খেলা একটি। ব্যবসায়ীরা যেমন সারা বছর এই জব্বারের বলী খেলার বৈশাখী মেলার জন্য অপেক্ষা করে তেমনি সারা দেশের বলীরা এই ১২ বৈশাখ দিনটির জন্য অপেক্ষা করে অধীর আগ্রহে। এই দিনটিতে নিজেকে সেরা প্রমাণের জন্য বছর ব্যাপী প্রস্তুত করতে থাকে বলীরা। কত জনইতো এই জব্বারের বলী খেলা থেকে হিরো বনে গেছেন। কত অখ্যাত বলী এসে ছুঁ মেরে নিয়ে গেছে শ্রেষ্ঠত্বের ট্রফি। কত হিরো পরিণত হয়েছে জিরোতে। আবার কত অখ্যাত বলী এসে পৌঁছে গেছে খ্যাতির চূড়ায়। কতজন স্বপ্ন পূরণের আনন্দ নিয়ে ছেড়ে গেছে লালদীঘি ময়দান। আবার কত স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে লালদীঘির সবুজ চত্ত্বরে। কেউ কেউ আবার হাল ছাড়েনি। লড়াই করে গেছে বছরের পর বছর। শেষ পর্যন্ত সফলও হয়েছেন। আবার কেউ কেউ প্রথম এসেই বাজিমাত করেছেন।


