প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
আমরা “বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্প রক্ষা কণ্ঠ সংগঠনের” পক্ষ থেকে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ (অধ্যাদেশ নং-২২, ২০২৬) এর প্রতি। দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি কর্মীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এই যুগান্তকারী অধ্যাদেশটি অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে একাডেমির বিভাগের সংখ্যা ৬ থেকে ৯-এ উন্নীত করা হয়েছে, যা প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এখানে আবৃত্তিশিল্পের মতো একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পমাধ্যম স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি চর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (বিএসএ) ১৯৭৪ সালের আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় সংস্কৃতি ও কৃষ্টির উন্নয়ন ও সংরক্ষণ। একাডেমির রূপকল্প হলো শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গঠন। এই মহতী উদ্দেশ্য পূরণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ- (১) চারুকলা বিভাগ, (২) নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ, (৩) সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ, (৪) গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ, (৫) প্রশিক্ষণ বিভাগ, (৬) প্রযোজনা বিভাগ- এর মাধ্যমে শিল্পচর্চা ও বিকাশে কাজ করে চলেছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে, যেখানে একাডেমির বিভাগ সংখ্যা ৬ থেকে বাড়িয়ে ৯টি করা হয়েছে এবং নতুন করে নতুন করে- আলোকচিত্র, পারফর্মিং আর্টস, নিউ মিডিয়া, সাংস্কৃতিক ব্যান্ডিং, উৎসব যুক্ত হয়েছে। আর পূর্বের ‘নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ’ আলাদা করে ‘নাট্যকলা বিভাগ, ‘চলচ্চিত্র’ বিভাগ’দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ করা হয়েছে। একইসাথে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ কে আলাদা করে সংগীত বিভাগ ও নৃত্য ও পারফর্মিং আর্টস নামে দুটি বিভাগ করা হয়েছে। এর ফলে শিল্পকলার সংশোধিত অধ্যাদেশ ২০২৬ অনুযায়ী, শিল্পকলার বর্তমান বিভাগ ৯ টি হলো- (১) সংগীত; (২) চারুকলা; (৩) নাট্যকলা; (৪) চলচ্চিত্র; (৫) আলোকচিত্র; (৬) নৃত্য ও অন্যান্য পারফর্মিং আর্টস; (৭) গবেষণা, প্রকাশনা ও নিউ মিডিয়া; (৮) সাংস্কৃতিক ব্র্যান্ডিং, উৎসব ও প্রযোজনা; (৯) প্রশাসন ও অর্থ (pp. 5-6) । এই সংশোধনী দেশে আধুনিক শিল্পচর্চার বিকাশে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সাধুবাদযোগ্য। কিন্তু অত্যন্ত দু:খের ও লজ্জার বিষয়, এ অধ্যাদেশে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্প- ‘আবৃত্তি’ নেই। পুরোনো বিভাগ ভেঙে বেশ কটি নতুন স্বতন্ত্র বিভাগ করা হলেও আবৃত্তি শিল্পকে রাষ্ট্রীয় অবহেলায় অস্তিত্বহীন, গৌণ ও বিলুপ্তপ্রায় করে ফেলা হয়েছে। এ কথা বলার কারন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, এই পুরো অধ্যাদেশে ‘আবৃত্তি’ শব্দটি কোথাও একবারের জন্যও নেই। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটিই সত্য।
অথচ আবৃত্তিশিল্পের ইতিহাস ও বিশ্ব প্রেক্ষাপটে এর অবস্থান মানব ইতিহাসের আদি থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ্। প্রাচীন গ্রিসে বাগ্মিতাকে রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের একটি অপরিহার্য শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতো। প্রাচীন রোমে কবিরা তাঁদের নতুন কবিতা জনসমক্ষে আবৃত্তি করে শোনাতেন। যখন লিখার প্রচলন ছিলনা তখনকার ইতিহাসও আমরা জানি, মানুষের স্মৃতিতে ধারন করা কথা, ভাষা, বর্ন- শোনার মাধ্যমে। এছাড়া পৃথিবীর বহুল বিশ্বাসের ধর্মগ্রন্ত্র গুলিও অন্তরে ধারন করে তা সবাইকে শ্রুতিমধুর করে উপস্থাপনের মাধ্যমে সবার নিকট পৌছাতো। এই শ্রুতি থেকেই যা পরে লিপিবদ্ধ হয়। এসব-ই তো আবৃত্তি। আবৃত্তি কোনো সাধারণ পাঠ নয়, বরং এটি একটি স্বতন্ত্র বাচিক শিল্প, যা লিখিত সাহিত্যকে মৌখিক উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রাণবন্ত করে তোলে।
আধুনিক বিশ্বেও আবৃত্তির জনপ্রিয়তা দিন দিনে বেড়েছে। উনিশ শতকের শুরুর দিক থেকে ইউরোপে স্টোরি টেলিং বা গল্প বলা ফর্মের মাধ্যমে আবৃত্তি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই যে, ছোট বেলায় শিশুরা পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নানা গল্প, কল্পকাহিনী, ঠাকুর মার ঝুলি, রুপকথা, মজার মজার ছড়া-কবিতা শুনে বড় হয়, এসবই তো আবৃত্তির ভিন্ন ভিন্ন রুপ।
পুঁথিপাঠ এবং কবিগান ছিল বাংলার প্রাচীন আবৃত্তির রূপ। তবে বাংলাদেশের জন্য আবৃত্তি গর্বের একটি বড় কারণ—ভাষা আন্দোলন। যা বিশ্ব দরবারে একে অনন্য করে তোলে। ১৯৫২-এর উত্তাল সময়ে আবৃত্তি ছিল প্রতিবাদের অন্যতম হাতিয়ার। যে ভাষার অধিকার বুকের তাজা রক্ত দিয়েছে অর্জন করতে হয়েছে বীর বাঙালীদের। সেই ভাষার মর্যাদা রক্ষায় অগ্রনী শিল্পমাধ্যম হিসেবে কাজ করে আবৃত্তিশিল্প। আবৃত্তি শিল্পের প্রধান শর্ত হলো প্রমিত ও শুদ্ধ উচ্চারণ। বাংলা ভাষার এই প্রকৃত রূপ এবং সৌন্দর্য্য ধরে রাখতে এবং ভাষার বিকৃত উচ্চারণ এড়ানোর জটিল কাজে অন্য শিল্পমাধ্যম ও দেশপ্রেমিক সচেতন নাগরিকদের সাথে নিয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে আবৃত্তিশিল্পমাধ্যম, আবৃত্তিশিল্পীরা। ভাষা আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে যেকোনো সামাজিক অবিচারে আবৃত্তি হয়েছে প্রতিবাদের প্রধান ভাষা। কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি, স্মৃতির মিনার, ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ বা ‘অভিশাপ দিচ্ছি’ অথবা‘আসাদের শার্ট-এর মতো কবিতাগুলো সাধারণ মানুষকে রাজপথে নামার শক্তি জুগিয়েছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহি, কুলি-মজুর বা সাম্যবাদী কবিতা মানব কন্ঠে প্রাণ পেয়ে যেমন জনমনে বিপ্লবী চেতনা জাগিয়েছে তেমনি ভীষন প্রতিবাদী ও অধিকার সচেতন করেছে।
কবিরা কবিতা লেখে। সাহিত্য রচনা করে অনেকে। বই হয়। সাধারণ মানুষের কাছে জটিল সাহিত্য বা কঠিন কবিতা পৌঁছে দেওয়ার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে আবৃত্তি। একটি জাতির রুচি গঠনে আবৃত্তির ভূমিকা অপরিসীম। এটি মানুষের বাচনভঙ্গি মার্জিত করে এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
তাই বলা যায়, আগামির বাংলাদেশ গঠনে আবৃত্তিশিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সাংস্কৃতিক জাগরণ এবং জাতীয় উৎসবগুলোতে আবৃত্তিশিল্পীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। এই শিল্পীরা তাদের পরিবেশনার মাধ্যমে অধ্যাদেশের লক্ষ্য- জাতির সাংস্কৃতিক চেতনা ও আবেগকে ধারণ, লালন ও বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে নিরলস কাজ করছে। (অনুচ্ছেদ ৬(খ), অধ্যাদেশ নং-২২, ২০২৬) (p. 4)।
এর ফলে বাংলাদেশে প্রধানতম জনপ্রিয় ও সক্রিয় চর্চায় থাকা শিল্পমাধ্যমগুলোর একটি এখন আবৃত্তিশিল্প । বর্তমানে সারাদেশে ৫ শতাধিক আবৃত্তি সংগঠন রয়েছে। এসব সংগঠনের সদস্য ও এককভাবে আবৃত্তি চর্চা করা শিল্পীরা তো আছেই। সেই সাথে আবৃত্তি সংগঠনগুলো নিয়মিত আবৃত্তি প্রশিক্ষণ কর্মলাশালা চালায়। এসব সংগঠন শিশু, কিশোর, যুবক ও বয়োজেষ্ঠ্য মিলে গড়ে বছরে ১০০ জন করে প্রশিক্ষণ দিলেও বছরে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৫০ হাজার। শুধু ২০০০ সাল থেকে হিসেব ধরলেও এ সংখ্যা কম-বেশি ১৫ লাখ।
খোদ বাংলাদেশ শিল্পকলার ৬৪ জেলার, বেশির ভাগ জেলা শিল্পকলা একাডেমি আবৃত্তি প্রশিক্ষক বর্তমানে কর্মরত আছে। শিল্পকলা থেকে আবৃত্তি প্রশিক্ষণ নেয় প্রতিটিতে গড়ে ৪০ জন করে। বছরে প্রায় ২০০০ আবৃত্তিপ্রেমী। এর সাথে এককভাবে আবৃত্তিশিল্পীদের প্রশিক্ষন এবং স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ে আবৃত্তির চর্চা যোগ করলে আবৃত্তির প্রশিক্ষন নেয়াদের সংখ্যা কোটি ছাড়াবে। এবং এর সাথে আবৃত্তির কোন প্রশিক্ষন নেননি, আবৃত্তিশিল্পী নন, কিন্তু আবৃত্তি শুনেন, ভালো লাগে, মুগ্ধ হন, এমন মানুষদের যুক্ত করে ভাবলে দেশে আবৃত্তিপ্রেমীর সংখ্যা কয়েক কোটি।
বর্তমান ও সম্ভাবনা:
সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল প্লাটফর্মে আবৃত্তির চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে। ‘অডিও বুক’ এবং ‘পডকাস্ট’-এর জনপ্রিয়তার ফলে কণ্ঠশিল্পীরা পেশাদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছেন। বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে, আবৃত্তি ও পাবলিক স্পিকিং অ্যাকাডেমি এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি যোগাযোগ দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং সামাজিক পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।
আবৃত্তির মতো এমন একটি সমৃদ্ধ ও স্বতন্ত্র শিল্পমাধ্যমকে স্বতন্ত্র্ বিভাগ হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অন্তর্ভুক্ত না করাটা এই শিল্পের চর্চাকারীদের জন্য হতাশাজনক। আবৃত্তিপ্রেমী, আবৃত্তিকর্মী, আবৃত্তিশিল্পী, বা শিল্প সচেতন সবাইকেই এই অধ্যাদেশ বেদনার্ত করেছে। ক্ষুব্ধ করেছে। এমন বাস্তবতায় স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ গঠন সময়ের দাবী।
অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী আবৃত্তি বিভাগ অন্তর্ভুক্তির আইনগত ভাবেও কোন বাধা নেই বরং যুক্তিযুক্ত-
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ৭ ধারায় একাডেমির দায়িত্ব ও কার্যাবলি বর্ণিত হয়েছে। এর অনুচ্ছেদ (ক) অনুযায়ী, “জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংগতি রাখিয়া সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের বিকাশ, ললিতকলা, জাতীয় সংস্কৃতির উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা” একাডেমির অন্যতম দায়িত্ব (p. 4)। আবৃত্তিশিল্প নিঃসন্দেহে এই লক্ষ্যের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।
২০২৬ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশের ধারা ৭(গ)-তে উল্লেখ আছে, “শিল্পের বিদ্যমান নানা শাখার চর্চায় কাজ করিবার পাশাপাশি সংস্কৃতির যে নূতন নূতন ধারার উদ্ভব হইবে তাহা ধারণ করা” একাডেমির অন্যতম দায়িত্ব (p. 4)। আবৃত্তি শিল্প বাংলাদেশে একটি প্রতিষ্ঠিত ও বিকশিত ধারা হিসেবে বিপুল শ্রোতাপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তাই, এই ধারাকে ধারণ করা একাডেমির আইনের সঙ্গতিপূর্ণ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই অধ্যাদেশের ৭ ধারার অনুচ্ছেদ (ঞ) ও (ঠ) অনুযায়ী, একাডেমি “শিল্পকলার সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর প্রতিযোগিতার আয়োজন করা ও কৃতি শিল্পীদের পুরস্কার প্রদান করা” এবং “রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা”র ক্ষমতা রাখে (p. 5)। আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ও অনুষ্ঠান নিয়মিতভাবে আয়োজিত হয়।
তাছাড়া, ৮ ধারার উপ-ধারা (২) অনুযায়ী, “একাডেমি, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, নূতন বিভাগ সৃষ্টি করিতে পারিবে” (p. 6)। এই বিধানটিই আবৃত্তির জন্য একটি স্বতন্ত্র বিভাগ সৃষ্টির আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। যেহেতু ইতোমধ্যে ৯টি বিভাগ পুনর্গঠিত হয়েছে, আবৃত্তিশিল্পের গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং বিদ্যমান আইনি কাঠামোর
আওতায় সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে একটি নতুন বিভাগ সংযোজন করা সম্ভব।
দাবি- উপরোক্ত যুক্তি ও প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্প রক্ষা কণ্ঠ সংগঠনের পক্ষ থেকে বিনীত নিবেদন, আবৃত্তিশিল্পের দীর্ঘ ইতিহাস, স্বতন্ত্র অবস্থান, আন্তর্জাতিক মান ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এর বিশাল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী, এটিতে- স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ অন্তর্ভুক্ত করা হোক। এটি দেশের লক্ষ লক্ষ আবৃত্তিশিল্পী ও শিল্পানুরাগীদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক হবে এবং জাতীয় সংস্কৃতিকে আরও বিকশিত করবে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।


