মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬
spot_img
Homeমুল পাতাহৃৎপিণ্ড সুস্থ কীনা বুঝবেন যেভাবে

হৃৎপিণ্ড সুস্থ কীনা বুঝবেন যেভাবে

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

আমাদের শরীরে হৃৎপিণ্ড নীরবে, অবিরাম এবং বিরতিহীনভাবে কাজ করে। হৃৎপিণ্ডে সমস্যা হলে নানা ধরনের সংকেত দেয় শরীরে। আবার হৃৎপিণ্ড ভালোভাবে কাজ করার সময় শরীর যে ইতিবাচক সংকেতগুলো পাঠায়, সেগুলো চেনাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষণগুলো খুব লক্ষণীয় না হলেও সার্বিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

হৃৎপিণ্ড সুস্থভাবে কাজ করছে কীনা তা বুঝতে বেশ কয়েকটি লক্ষণ জানানো হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টিভি’র এক প্রতিবেদনে। যেমন-

হৃৎস্পন্দন
সুস্থ হৃৎপিণ্ডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য লক্ষণ হলো বিশ্রাম নেওয়ার সময় হৃৎস্পন্দন। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত তা প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ স্পন্দনের মধ্যে থাকে।

যারা শারীরিকভাবে সক্রিয়, বিশ্রাম নেওয়ার সময় তাদের হৃৎস্পন্দন আরও কম হতে পারে। নিয়মিত হৃৎস্পন্দন সারা শরীরে সঠিক রক্ত ​​সঞ্চালণের একটি ভালো সূচক।

রক্তচাপের মাত্রা
রক্তচাপের মাত্রা, ১২০/৮০ মিমি এইচজি এর মধ্যে থাকাও হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকার আরেকটি লক্ষণ। এর অর্থ হলো, আপনার হৃৎপিণ্ড রক্তনালীর উপর কোনো চাপ সৃষ্টি না করে সঠিকভাবে তার কাজ করছে।

ভালো শক্তি এবং সহনশীলতা
শক্তিশালী হৃৎপিণ্ড শরীরের টিস্যুগুলোতে দক্ষতার সাথে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে। এর ফলে শরীরে শক্তির মাত্রা প্রভাবিত হয়। আপনি যদি অতিরিক্ত ক্লান্তি ছাড়াই স্বাভাবিক কাজকর্ম এবং ব্যায়াম করতে সক্ষম হন, তাহলে বুঝতে হবে আপনার হৃৎপিণ্ড অত্যন্ত সহনশীল।

শারীরিক কার্যকলাপের পর দ্রুত সেরে ওঠা
ব্যায়ামের পর আপনার হৃৎস্পন্দন কত দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে, তা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। একটি সুস্থ হৃৎপিণ্ড শারীরিক পরিশ্রমের পর দক্ষতার সাথে সেরে ওঠে। যদি আপনার হৃৎস্পন্দন স্থিতিশীল হতে খুব বেশি সময় নেয়, তবে এর জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনো উপসর্গ না থাকা
একটি সুস্থ হৃৎপিণ্ড সাধারণত কোনো অস্বস্তি সৃষ্টি না করেই কাজ করে। বুকে ব্যথা, বুকে চাপ এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ না থাকা হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকার অত্যন্ত ইতিবাচক লক্ষণ। তবে এই উপসর্গগুলো অন্যান্য কারণেও হতে পারে। এমন হলে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

উল্লেখিত লক্ষণগুলো হৃৎপিণ্ড সক্রিয় থাকার ক্ষেত্রে ইতিবাচক সূচক হলেও সবসময় এটি সুস্থ থাকার কোনো নিশ্চয়তা দেয় না। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ধূমপান না করার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের সুস্থতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়