রবিবার, মে ১৭, ২০২৬
spot_img
Homeএই মুহুর্তেসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাসুদ আলম

সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাসুদ আলম

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, রাউজান ও আশপাশের এলাকায় টার্গেট কিলিং, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে কাজ করা হচ্ছে। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পুরো পরিস্থিতি বোঝা জরুরি।

ভেতরের বিষয়গুলো আগে জানতে হবে। না বুঝে তড়িঘড়ি করলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

রোববার (১৭ মে) সকালে নগরের দুই নম্বর গেইটে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে চট্টগ্রামের গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের সমন্বয়ে বড় পরিসরে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ চলবে।
জঙ্গল সলিমপুরকে আর ‘রাষ্ট্রের ভেতরে রাষ্ট্র’ হিসেবে থাকতে দেওয়া হবে না জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার আগেই জায়গাটি নিয়ে নানা গল্প শুনেছি।

সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনাও আলোচিত ছিল। পরে যৌথ বাহিনীর অভিযান ও সাম্প্রতিক কার্যক্রমে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। জঙ্গল সলিমপুরকে কেউ যেন দেশের ভেতরে আরেকটা দেশ মনে না করে, সেটা নিশ্চিত করতে চাই। সেখানে স্থায়ীভাবে পুলিশ থাকবে। দুইটি স্কুলে আপাতত অস্থায়ী ক্যাম্প করা হয়েছে। স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কাজও চলছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ও পুলিশ একাডেমি স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হবে। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। অনেক সময় আগেই তথ্য ছড়িয়ে যায়। তাই আমরা চেষ্টা করবো- অভিযান বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তথ্য দ্রুত জানাতে। জনগণের আস্থা অর্জনে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মাসুদ আলম বলেন, কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্ত হয়ে ইয়াবা দেশের বিভিন্ন স্থানে যায় এবং চট্টগ্রাম সেই রুটের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় আড়াইশ পশুর হাট রয়েছে উল্লেখ করে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরুর হাট ও পশু পরিবহনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হবে। বড় অঙ্কের টাকা বহনে ব্যবসায়ীরা চাইলে পুলিশি সহায়তা পাবেন। মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে নিরাপত্তা জোরদার করবে।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়