প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর যমুনায় ভারতীয় ভিসা সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমি সোজা এসেই রাষ্ট্রপতির কাছে আমার পরিচয়পত্র (ক্রেডেনশিয়াল) পেশ করেছি এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। আমি রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞ।
তিনি বলেন, যখন বর্ডারে আপনাদের মুখোমুখি হয়েছি, ওই সময় প্রথম প্রশ্ন আমাকে করা হয়েছিল, ভিসার কি হবে? ওই জিনিসটা আমার মাথায় ছিল যে, ভিসা সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট কেন মানুষের জন্য।
তিনি আরও বলেন, অনেক বাচ্চারা আসে, বাচ্চার জন্য একটা আলাদা ঘর দরকার। আলাদা ঘর যেখাণে বাচ্চাদের জন্য খেলনা, বাচ্চাদের জন্য কিছু খাওয়া দাওয়া ব্যবস্থা থাকবে। একটু যদি ওয়েট করতে হয়, বাচ্চাদের অনেক সমস্যা হয়। যারা হুইলচেয়ারে আছে ওদের জন্য র্যাম্পের যদি দরকার হয়।
হাইকমিশনার বলেন, আমি মোটামুটি অনেক খুশি যে, আমি ফ্যাসিলিটিটা দেখলাম, সত্যি আমাকে ভালো লাগল। আমাদের অনেক ফ্যাসিলিটি যা প্রাইভেট সেক্টরে আছে কলকাতায়, ওইসব থেকে আমি ভাবলাম যে এখানটা খুবই ভালো। কিন্তু সব জিনিসে একটা ইমপ্রুভমেন্ট করাই যায়। তাহলে আজকে আমি যা বললাম, যে নরমাল ট্যুরিস্ট ভিসা, ওই ট্যুরিস্ট ভিসা ওপেন, যে নরমালসি আছে ওইটা করে দিলাম আর ওইটা শুরু হবে ২৮ জুন থেকে। ওই নরমাল ভিসা অপারেশন যাকে বলে ফর ট্যুরিস্ট ভিসা। মেডিকেল ভিসা তো ইমার্জেন্সিতে আগেই সাবমিট হতো ওইটা চলবে। এখনি পাঁচ জায়গা আমি নামটা পড়ে দিলাম পাঁচ সেন্টারে হবে। কিন্তু আস্তে আস্তে আমি ওই সেন্টারগুলো যা আগে ছিল ওইটা বাড়াবো।
তিনি আরও বলেন, আমার পক্ষ থেকেও এটা প্রথম জিনিসটা আমি যা করলাম হাই কমিশনার হিসেবে। এর আগে তো আমি করতে পারতাম না, প্রথম জিনিসটা এইটা করলাম, আমি অনেক খুশি। আর আশা করি যে এখানটা সাধারণ মানুষও খুশি হবেন। আর মাঝেমাঝে আমি এখানটা আসব, ইন্সপেক্ট করব, লোকেদের কথা শুনব, ওদের যা সাজেশন হবে, সেটা শুনবো। আপনারা তো সাংবাদিক, আপনাদের যদি সাজেশন থাকে, সেই সাজেশন আমি শুনবো।
নব নিযুক্ত হাই কমিশনার বলেন, অনেক মেডিকেল পেশেন্ট আসে, ওদের সবচেয়ে ভালো সুবিধে কিভাবে আমরা করতে পারি। যার বাড়িতে রোগী আছে, তারাই জানে যে কষ্ট কি হয়। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে না। আমাদের সবার মা, বোন, বাবা সবাই আছে, আমরা জানি যে রোগীর কি প্রবলেম হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয় পত্র পেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এরপরেই আইভ্যাক ভিসা সেন্টার পরিদর্শন করেন তিনি। ভিসা সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন তিনি।
এর আগে গত ১২ জুন দীনেশ ত্রিবেদী ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে আসেন।
আগামী রোববার (২৮ জুন) থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের পর্যটন ভিসা চালু হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর যমুনায় ভারতীয় ভিসা সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমি সোজা এসেই রাষ্ট্রপতির কাছে আমার পরিচয়পত্র (ক্রেডেনশিয়াল) পেশ করেছি এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। আমি রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞ।
আজ আমি অত্যন্ত গর্বিত যে, বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে আজ থেকে আমার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
তিনি বলেন, যখন বর্ডারে আপনাদের মুখোমুখি হয়েছি, ওই সময় প্রথম প্রশ্ন আমাকে করা হয়েছিল, ভিসার কি হবে? ওই জিনিসটা আমার মাথায় ছিল যে, ভিসা সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট কেন মানুষের জন্য।
আরও ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে মেডিকেল। তাই এ জন্যে আজকে প্রথমে আমি পুরোটা ঘুরে দেখলাম।
খুবই ভালো লাগলো যে অনেকের সঙ্গে আমার একটা আলোচনা হলো, ওদের কি সমস্যা আছে। অনেক বাচ্চারাও এসেছিলেন। আমি খুবই খুশি যে ওদের সঙ্গে একটা ভালো ডিসকাশন হলো, ওরা অনেক সাজেশন দিল। ওই সাজেশনগুলো আমাদের অফিসারকে বললাম।
তিনি আরও বলেন, অনেক বাচ্চারা আসে, বাচ্চার জন্য একটা আলাদা ঘর দরকার। আলাদা ঘর যেখাণে বাচ্চাদের জন্য খেলনা, বাচ্চাদের জন্য কিছু খাওয়া দাওয়া ব্যবস্থা থাকবে। একটু যদি ওয়েট করতে হয়, বাচ্চাদের অনেক সমস্যা হয়। যারা হুইলচেয়ারে আছে ওদের জন্য র্যাম্পের যদি দরকার হয়।
হাইকমিশনার বলেন, আমি মোটামুটি অনেক খুশি যে, আমি ফ্যাসিলিটিটা দেখলাম, সত্যি আমাকে ভালো লাগল। আমাদের অনেক ফ্যাসিলিটি যা প্রাইভেট সেক্টরে আছে কলকাতায়, ওইসব থেকে আমি ভাবলাম যে এখানটা খুবই ভালো। কিন্তু সব জিনিসে একটা ইমপ্রুভমেন্ট করাই যায়। তাহলে আজকে আমি যা বললাম, যে নরমাল ট্যুরিস্ট ভিসা, ওই ট্যুরিস্ট ভিসা ওপেন, যে নরমালসি আছে ওইটা করে দিলাম আর ওইটা শুরু হবে ২৮ জুন থেকে। ওই নরমাল ভিসা অপারেশন যাকে বলে ফর ট্যুরিস্ট ভিসা। মেডিকেল ভিসা তো ইমার্জেন্সিতে আগেই সাবমিট হতো ওইটা চলবে। এখনি পাঁচ জায়গা আমি নামটা পড়ে দিলাম পাঁচ সেন্টারে হবে। কিন্তু আস্তে আস্তে আমি ওই সেন্টারগুলো যা আগে ছিল ওইটা বাড়াবো।
তিনি আরও বলেন, আমার পক্ষ থেকেও এটা প্রথম জিনিসটা আমি যা করলাম হাই কমিশনার হিসেবে। এর আগে তো আমি করতে পারতাম না, প্রথম জিনিসটা এইটা করলাম, আমি অনেক খুশি। আর আশা করি যে এখানটা সাধারণ মানুষও খুশি হবেন। আর মাঝেমাঝে আমি এখানটা আসব, ইন্সপেক্ট করব, লোকেদের কথা শুনব, ওদের যা সাজেশন হবে, সেটা শুনবো। আপনারা তো সাংবাদিক, আপনাদের যদি সাজেশন থাকে, সেই সাজেশন আমি শুনবো।
নব নিযুক্ত হাই কমিশনার বলেন, অনেক মেডিকেল পেশেন্ট আসে, ওদের সবচেয়ে ভালো সুবিধে কিভাবে আমরা করতে পারি। যার বাড়িতে রোগী আছে, তারাই জানে যে কষ্ট কি হয়। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে না। আমাদের সবার মা, বোন, বাবা সবাই আছে, আমরা জানি যে রোগীর কি প্রবলেম হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয় পত্র পেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এরপরেই আইভ্যাক ভিসা সেন্টার পরিদর্শন করেন তিনি। ভিসা সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন তিনি।
এর আগে গত ১২ জুন দীনেশ ত্রিবেদী ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে আসেন।


