প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল আর উরুগুয়েকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল প্যারাগুয়ে। এরপর শেষ বত্রিশে হারিয়েছিল জার্মানিকেও। সেই প্যারাগুয়ে শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের সামনেও দেওয়াল তুলে দাঁড়িয়েছিল। তবে শেষমেশ কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টিই পার্থক্য গড়ে দিল। ম্যাচে ১-০ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
ফিফা র্যাংকিংয়ে দুই দলের ব্যবধান ৩৮ ধাপের। তারপরও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স। যদিও পুরো অর্ধ জুড়ে বেশি আক্রমণ করেছে ফ্রান্সই। প্যারাগুয়ে সেসব আক্রমণ ভালোভাবেই সামলেছে। ম্যাচের মোমেন্টামের হিসাবেও বোঝা যায়, দুটো ছোট সময় বাদে পুরো অর্ধেই দাপট ছিল ফ্রান্সের। তবু গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধেও একটা পর্যায়ে উত্তেজনা ছড়ায় মাঠে। প্যারাগুয়ে বক্সের সামনে বল নিয়ে এগোনোর সময় এমবাপ্পেকে থামান আন্দ্রেস কিউবাস। এতে কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন এমবাপ্পে। তখন তাকে ধাক্কা দেন প্যারাগুয়ের এক মিডফিল্ডার। এরপর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বিবাদ বেধে যায়। তবে অন্য খেলোয়াড়েরা দ্রুত পরিস্থিতি সামলে নেন।
৬৯ মিনিটে আসে ম্যাচের একমাত্র গোল। বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হন দেজিরে দুয়ে। ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে গোল করেন এমবাপ্পে। গোলরক্ষক অরলান্দো গিলকে ভুল দিকে পাঠিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। এই গোলে স্বস্তি ফেরে ফ্রান্স শিবিরে।
যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে দ্বিতীয় গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন এমবাপ্পে। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার শট ঠেকিয়ে দেন গিল। এরপর ফিরতি বলেও চেষ্টা করেন এমবাপ্পে, কিন্তু সেটাও ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। এই গোলটি হলে লিওনেল মেসির সমান বিশ্বকাপে ২০ গোলের রেকর্ড ছুঁতে পারতেন এমবাপ্পে। তবে সেই সুযোগ এবার হাতছাড়া হলো তার।
এই জয়ের ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল ফ্রান্স। সেখানে তাদের অপেক্ষায় আছে মরক্কো।


