প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চট্টগ্রাম নগরীর নিচু এলাকার বাসিন্দারা ভুগছেন জলাবদ্ধতায়। মাঝারি ও ভারি বর্ষণে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় সীমাহীন দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। বিশেষ করে কর্মস্থলমুখী লোকজন ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পোহাতে হয়েছে বেশি ভোগান্তি।
নগরীর আগ্রাবাদে অবস্থিত মা ও শিশু হাসপাতালের নিচতলা চার দিন ধরে পানিতে নিমজ্জিত। এখান থেকে রোগীদের আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়। বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস রোববারও ব্যাহত হয়েছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আজ সকাল থেকে বৃষ্টি না থাকলেও দুপুর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এছাড়া গতকাল মধ্যরাত থেকে টানা বৃষ্টি হয়েছে।
শুক্র ও শনিবার কয়েক দফায় প্লাবিত হয়েছিল নগরীর নিম্নাঞ্চল। এর মধ্যে শুক্রবার রাতে জলাবদ্ধতা ব্যাপক আকার ধারণ করে। ওই রাতে নগরীর বেশির ভাগ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়লে প্রধান সড়কগুলো দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পানি প্রবেশ করে নষ্ট হয়ে পড়ে কয়েকশ গাড়ি। আগের দুই দিনের মতো অতটা ভয়াবহ না হলেও রোববার সকাল ও সন্ধ্যায় কয়েক দফা ভারি বর্ষণে নিচু এলাকাগুলো আবার পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় কয়েক ঘণ্টা পানিবন্দি হয়ে থাকতে হয় বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের। সন্ধ্যায় টানা বৃষ্টিপাত হতে থাকলে বড় আকারের জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দেয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছিল মুষলধারে।
পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, সকালে মুরাদপুর, হালিশহর, জিইসি মোড়, ওয়াসা মোড়, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, কমার্স কলেজ রোড, চকবাজার, ডিসি রোড, বহদ্দারহাট, বারইপাড়া, বাকলিয়ার বগারবিল ও রসুলবাগ আবাসিক এলাকা, কোরবানীগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। দুপুরের দিকে পানি নেমে গেলেও বিকালে কয়েক দফা বৃষ্টি হলে আবারও পানি জমে যায় এসব এলাকায়। আগ্রাবাদ মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতলের নিচতলায় আগের দুই দিনের মতো রোববারও পানি ওঠে। এতে রোগীর স্বজনদের পড়তে হয় দুর্ভোগে। পানি মাড়িয়ে হাসপাতালটিতে প্রবেশ করতে ও বের হতে হয়েছে।


