প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চাল, তেল, সাবান, আটা, ডিম ও মুরগি উৎপাদন ও সরবরাহ খাতের এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে দাম বাড়ানোসহ আরও কিছু অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে কমিশনেই পৃথকভাবে এসব মামলা করা হয়েছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি এসব কোম্পানি-ব্যক্তির ‘কারসাজি’র কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা। এ কারণে কমিশন ‘স্বপ্রণোদিত’ হয়ে এসব মামলা দায়ের করেছে।
প্রতিযোগিতা আইন অনুযায়ী- উৎপাদন, সরবরাহ, খুচরা ও ভোক্তা যে কোনো পর্যায় থেকে কমিশনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে। আবার কমিশন নিজেও মামলা দায়ের করতে পারে।
করোনা মহামারির পর বিশ্ব বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, ইউক্রেন যুদ্ধ, ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং পণ্য পরিবহণে জাহাজের ভাড়া বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে গত কয়েক মাস ধরে দেশের নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত নিত্যপণ্যসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম।
এরমধ্যে চাল, সয়াবিন তেল, চিনি, প্রসাধনী সামগ্রী, ডিম, মুরগিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম ৪০ শতাংশ থেকে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা অভিযানে নামে। এরমধ্যে বিভিন্ন খাতে উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে অভিযানকালে বেশ কিছু অনিয়ম চিহ্নিত করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের ডেকে বৈঠকও করে সংস্থাটি।
নিত্যপণ্যের মূল্য অযৌক্তিকভাবে বাড়াতে ভোক্তা অধিকারের চিহ্নিত অনিয়ম এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আসা দাম নিয়ে কারসাজির তথ্য যাচাই-বাছাই করে এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করেছে প্রতিযোগিতা কমিশন।


