প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
বাংলালিংক ও টেলিটক যৌথভাবে অ্যাকটিভ শেয়ারিং বা ন্যাশনাল রোমিং সার্ভিস বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি পাইলট প্রকল্প উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়েছে।
এর মাধ্যমে টেলিটকের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক কাভারেজবিহীন এলাকায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলালিংকের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন।
জানা গেছে, পরীক্ষামূলক ফিল্ড ট্রায়ালের সফলভাবে শেষ করার পর প্রতিষ্ঠান দুটি পাইলট প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের টেলিকম খাতে প্রথমবারের মতো অপারেটরদের মধ্যে পারস্পরিক নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ভাগাভাগির মাধ্যমে ন্যাশনাল রোমিং সার্ভিস বা অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হতে যাচ্ছে।
এ উদ্যোগের ফলে টেলিকম খাতে সামগ্রিক সেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি টেলিকম অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং এতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, জুনাইদ আহমেদ পলক, আইসিটি টাওয়ারের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যুগান্তকারী এই সেবা চালুর ঘোষণা দেন। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দুই মাস মেয়াদি এই অ্যাকটিভ শেয়ারিং বা জাতীয় রোমিং-এর পাইলট প্রকল্পে নির্বাচিত দুই হাজার টেলিটক পোস্ট-পেইড ও প্রি-পেইড গ্রাহকরা বাংলালিংকের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভয়েস কল, এসএমএস ও ওকলা স্পিডটেস্ট স্বীকৃত দেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির ফোর-জি ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারবেন। এই পাইলট প্রকল্পের সফলতার ওপর ভিত্তি করে বাংলালিংক ও টেলিটক দেশব্যাপী বাণিজ্যিক ভিত্তিতে অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু করবে।


