সাংবাদিকদের তিনি জানান, নগরবাসীকে বাসা বাড়ির ময়লা আগামী মার্চ মাস থেকে আর ডোর টু ডোর ময়লা সংগ্রহের জন্য আলাদা করে কোনো টাকা দিতে হবে না। তবে নগরবাসীর কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে আমাদের যেসব কর্মচারীরা আপনাদের কাছে ময়লা নিতে আসবে তাদের নিয়মিত ময়লা দিয়ে দিবেন এতে ময়লা জমে থাকবে না। কমে আসবে মশার উপদ্রব, পরিবেশ ও পরিষ্কার থাকবে।
দেশের সিটি কর্পোরেশন গুলোতে আমরাই প্রথম যারা ময়লা থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন করার উদ্যোগ নিয়েছি হালিশহরে। এখন আমরা ফিজিবিলিটি স্টাডির শেষ পর্যায়ে আছি। এটি যদি বাস্তবায়িত হয় চট্টগ্রামকে এই ময়লা দিয়ে আমরা সম্পদে পরিণত করতে পারবো।
হঠাৎ কেন ডোর টু ডোর প্রকল্পে টাকা নেওয়া বন্ধ করা হচ্ছে জানতে চাইলে মেয়র বলেন, নগরবাসীরা অনেকে এই টাকা দিতে রাজি হতেন না। আবার নানা রকম অভিযোগ ছিলো তাই আমরা এই টাকা নেওয়াটাই বন্ধ করে দিচ্ছি। আমাদের কর্মচারীদের সঙ্গে বর্তমান ভেন্ডরদের সমন্বয় করে দেওয়া হবে। সঙ্গে আমাদের পক্ষ থেকে ভর্তুকি দেওয়া হবে। সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ময়লা সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ঘোষণার পর উপস্থিত এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তির প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।