Homeমুল পাতাশুধু ঘুমিয়ে ১০ লাখ রুপি জিতলেন বাঙালি তরুণী

শুধু ঘুমিয়ে ১০ লাখ রুপি জিতলেন বাঙালি তরুণী

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

টানা ৬০ দিনের ঘুমের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৯ লাখ ৬০ হাজার রুপি জিতেছেন ভারতের মুম্বাইয়ের জিনিয়া চ্যাটার্জি। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ওয়েকফিটের সৌজন্যে একটি ছুটির ভ্রমণও।

দুই মাসের এই প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে দুই লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছিল।

বাড়ি ও আসবাবপত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েকফিটের আয়োজন করা ‘স্লিপ ইন্টার্নশিপ’ নামের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়ম মেনে ঘুমানো, নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং প্রতি সপ্তাহের নানা সৃজনশীল চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে হয়েছে।

দুই লাখের বেশি আবেদন থেকে কয়েক ধাপের বাছাই ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ১০ জনকে নির্বাচন করা হয়। প্রায় ৬০ দিন ধরে তারা নিজেদের ঘুমের সময় ও মান পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিদিনের স্কোরের ভিত্তিতে তৈরি করা হয় প্রতিযোগীদের অবস্থান তালিকা।

তবে প্রতিযোগিতাটি শুধু ঘুমের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীলতাও যাচাই করা হয়েছে নানা চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে।

কী ছিল প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ?

সাপ্তাহিক চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে ছিল ‘স্লিপ সিনেমা’। এতে প্রতিযোগীদের ঘুমের বিষয় যুক্ত করে বিখ্যাত চলচ্চিত্রের দৃশ্য পুনর্নির্মাণ করতে হয়েছে। ‘স্লিপ বিঙ্গো’ নামের আরেকটি চ্যালেঞ্জে এক সপ্তাহের ঘুমের অভ্যাস মূল্যায়ন করতে হয়েছে।

‘আন্ডারকভার স্লিপ মিশন’ নামে একটি চ্যালেঞ্জে কথোপকথনের মধ্যে অন্যদের সন্দেহের উদ্রেক না করে ‘কম্বল’ অথবা ‘বালিশ’ শব্দ দুটি ১০ বার ব্যবহার করতে হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে সেরা পারফরমার পেয়েছেন ‘প্রো স্লিপার অব দ্য উইক’ খেতাব।

দুই মাস শেষে জিনিয়া চ্যাটার্জি, রত্নগিরি মানিকান্দন ও মেহেক খোট শীর্ষ তিন প্রতিযোগী হন। তবে সাপ্তাহিক সৃজনশীল চ্যালেঞ্জে সবচেয়ে বেশি জয় পাওয়া হায়দরাবাদের করিম খান ওয়াইল্ডকার্ড হিসেবে ফিরে আসেন। ফলে ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চারজন।
কীভাবে জিতলেন জিনিয়া?

‘বিগ বেড’ নামে ফাইনালে ছিল দুটি চ্যালেঞ্জ। প্রথমটির নাম ‘মেমোরি ফোম চ্যালেঞ্জ’। এতে নমুনা ছবি দেখে শোবার ঘরের সাজসজ্জা হুবহু তৈরি করার মাধ্যমে প্রতিযোগীদের পর্যবেক্ষণ, স্মৃতিশক্তি ও দলগত কাজের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ ‘স্লিপ অকশন’-এ প্রতিযোগীদের বালিশ, কম্বল, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ, আলো ও শব্দের ব্যবস্থা—ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় এসব বিষয় নিলামে বেছে নিতে হয়।

এরপর প্রত্যেকে নিজের পছন্দমতো সাজানো ঘরে শেষ রাতটি কাটান। ঘুমের স্কোরের ভিত্তিতে বিজয়ী নির্বাচিত হন জিনিয়া চ্যাটার্জি।

২০১৯ সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার প্রথম চার মৌসুমে মোট ১০ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এসব মৌসুমে ৬৫ জন ইন্টার্ন প্রত্যেকে এক লাখ রুপি করে ভাতা পেয়েছেন। আগ্রহীরা ওয়েকফিটের ওয়েবসাইটে ষষ্ঠ মৌসুমের জন্য আগাম নিবন্ধন করতে পারবেন।

সূত্র : এনডিটিভি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়