Wednesday, June 24, 2026
spot_img
Homeটপ নিউজজামালখানে বস্তাবন্দি লাশ নালায় : বস্তা যেভাবে খুনিকে ধরিয়ে দিলো !

জামালখানে বস্তাবন্দি লাশ নালায় : বস্তা যেভাবে খুনিকে ধরিয়ে দিলো !

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

নগরের জামালখান এলাকার একটি নালা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এক মেয়েশিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ বস্তার সূত্র ধরে হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল রাতে লক্ষণ দাস নামের এক দোকান-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লক্ষণ দাস স্বীকার করেছেন, তিনি শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাস রোধ করে হত্যা করেছেন। হত্যার পর শিশুটির লাশ চিনির বস্তায় ভরে নালায় ফেলে দিয়েছেন।

২৪ অক্টোবর বিকেলে সাত বছর বয়সী শিশুটি চিপস কিনতে বাসা থেকে বের হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও শিশুটি বাসায় না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তার খোঁজ চেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়।

অনেক খোঁজাখুঁজির পরও শিশুটিকে না পেয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। গতকাল বিকেলের দিকে থানা এলাকার একটি নালায় বস্তাবন্দী কিছু একটা দেখেন স্থানীয় লোকজন। তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ বস্তাবন্দী লাশটি উদ্ধার করে।

পুলিশ বলছে, আলামত দেখে তারা ধারণা করছিল যে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (দক্ষিণ) নোবেল চাকমা  জানান, ‘আমাদের সন্দেহ ছিল, আশপাশের কেউ এ ঘটনায় জড়িত। শিশুটিকে হত্যার পর বস্তাবন্দী করা হয়েছিল। এটি ছিল একটি চিনির বস্তা। আমরা এলাকার সব মুদিদোকান ও গুদামে গিয়ে চিনির বস্তা খতিয়ে দেখতে থাকি। একপর্যায়ে লাশ থাকা বস্তাটির সঙ্গে একটি মুদিদোকানের গুদামে থাকা চিনির বস্তার মিল পাই। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে গুদামের কর্মচারী লক্ষণ দাস ঘটনার দায় স্বীকার করেন।’

পুলিশ বলছে, তারা ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন। এতেও দেখা গেছে, শিশুটি যেদিন নিখোঁজ হয়, সেদিন বিকেলে তাকে গুদামে নিয়ে যাচ্ছেন লক্ষণ দাস।

 

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়