প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
দেশের প্রধান দুই নদী পদ্মা ও মেঘনার নামে আরও দুটি বিভাগ করতে যাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে নাম দুটি চূড়ান্ত করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, যা প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে উঠবে।
এই দুটি বিভাগ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হলে দেশে বিভাগের সংখ্যা হবে ১০টি। তখন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের আয়তন ছোট হয়ে যাবে।
ঢাকা বিভাগ থেকে ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী আলাদা করে গঠন হবে পদ্মা বিভাগ। আর চট্টগ্রাম বিভাগকে ছেঁটে ফেলে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর নিয়ে গঠন হবে মেঘনা বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিকার অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ কায়কোবাদ খন্দকারের সই করা সভার আলোচ্যসূচি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
নতুন আরও দুটি বিভাগ হলে দেশে বিভাগের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০-এ। এর আগের সব বিভাগের নাম স্থানীয় শহরের নামে হয়েছে। কিন্তু এবার প্রথমবারের মতো দুই নদীর নামে দুটি বিভাগ হতে যাচ্ছে।
জানা গেছে, আগামী ২৭ নভেম্বর নিকারের বৈঠক হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।
আলোচ্যসূচিতে দেখা যায়, বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচটি জেলা নিয়ে ‘পদ্মা’ এবং বৃহত্তর কুমিল্লার তিনটি ও নোয়াখালীর তিনটি করে মোট ছয়টি জেলা নিয়ে গঠন করা হবে ‘মেঘনা’।
সভার আলোচ্যসূচিতে দেখা গেছে, ‘পদ্মা’ ও ‘মেঘনা’ প্রশাসনিক বিভাগ ছাড়াও এবারের সভার আলোচ্যসূচিতে রয়েছে কুষ্টিয়া জেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানাকে ঝাউদিয়া এলাকায় স্থানান্তর করে ‘ঝাউদিয়া থানা’ নামকরণ এবং ‘ঝাউনিয়া পুলিশ ক্যাম্প’ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করে ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্প’ হিসেবে নামকরণ করার প্রস্তাব।
জেলার সীমানা পুনর্গঠন এবং ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের প্রস্তাব।
নিকারের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল গত ২ জুন। ওই বৈঠকের আলোচ্যসূচিতেও ছিল দুই বিভাগ গঠনের প্রস্তাব। পরে সেই মিটিং স্থগিত হয়।
নতুন বিভাগ গঠন বা স্থাপনের প্রস্তাব সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিতে অনুমোদন হতে হয়।
এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ১১ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ছাড়াও আছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১১ জন সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা।


