প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় চমেক হাসপাতালে সবমিলিয়ে ২৬ জনকে আনা হয়। তাদের মধ্যে ছয়জন মারা গেছেন। বাকি ২০ রোগীর মধ্যে দুজন চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন।
দুর্ঘটনাকবলিত প্ল্যান্টটিতে অক্সি-এসিটিলিন গ্যাস উৎপাদন করা হয়। এটি মূলত শিল্পে ব্যবহার করা অক্সিজেনের প্ল্যান্ট। অক্সি-এসিটিলিন গ্যাসের শিখা দিয়ে লোহার পাত কাটা হয়। একই সঙ্গে রি রোলিং মিলে লোহা গলাতেও এটি ব্যবহার করা হয়। আশপাশের জাহাজভাঙা শিল্প ও স্টিল রি-রোলিং মিলে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হয় সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্ট থেকে। তিন পালায় (শিফট) কারখানাটিতে শ্রমিকেরা কাজ করতেন। বিকেলের পালায় শ্রমিকেরা সিলিন্ডারে অক্সিজেন ভরার কাজ করছিলেন। এমন সময় ঘটে বিস্ফোরণ।
বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শনে গিয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলছেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে মালিকপক্ষের কাউকে আমরা দেখতে পাইনি। এই দুর্ঘটনায় চমেক হাসপাতালে ভর্তি থাকা আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে ভর্তি আছেন ৭ জন, অর্থোপেডিক্স বিভাগে ২ জন, নিউরো সার্জারি বিভাগে ৮ জন ও চক্ষু বিভাগে ৩ জন।গুরুতর আহতরা হলেন- মো. আরাফাত আলম, জাহিদ হাসান, মো. ওসমান, মো. মজিবুর রহমান, ফ্যান্সি, মো. মাসুদ ও প্রভাষ। এদের ভেতর মো. মাসুদ ও প্রভাষকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে বলে জানান নুরুল ইসলাম।
গতকাল শনিবার বিকেলে সংঘটিত এই বিস্ফোরণে অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিস্ফোরণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে অক্সিজেন প্ল্যান্টটি।


