প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। এ দুই উপজেলার প্রায় শতভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এ পরিস্থিতির কারণে গত দুই দিন ধরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে বন্যার পানিতে সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিসের অফিসও তলিয়ে গেছে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক এমডি আব্দুল মালেক বলেন, ‘সাতকানিয়া স্টেশনে এক হাঁটুর ওপরে পানি। চট্টগ্রাম থেকে আমরা লোক পাঠিয়েছিলাম। তারাও মাঝপথ থেকে ফিরে এসেছে। নৌকা না থাকায় আমরা সরাসরি উদ্ধার তৎপরতা চালাতে পারছি না। তবে যেসব এলাকায় স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রশাসন নৌকার ব্যবস্থা করছে এখন পর্যন্ত সেসব এলাকায় আমাদের কর্মীরা কাজ করছে।’
বুধবার (৯ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর অংশে দেখা গেছে, সড়কে এখনও হাঁটু সমান পানি। বন্যার পানিতে সড়ক ডুবে থাকায় সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে কিছু মানুষ ভ্যানে করে সাতকানিয়ার কেরানী হাটের দিকে যাচ্ছেন।
সপ্তাহখানেক ধরে টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এসব এলাকার সড়ক-মহাসড়ক, রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। প্রায় সব বাড়িঘর এখন ৭-৮ ফুট পানির নিচে। বন্যাকবলিত হয়ে পানিবন্দি অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ। বসতঘর ছেড়ে অনেকেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উঁচুস্থান ও এলাকার বহুতল ভবনে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে নিজ ঘরেই পানিবন্দি হয়ে আছে।


