প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
বিপিএলের দশম আসরে দারুণভাবে এগোচ্ছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। তবে এবার ভুলে যাওয়ার মতো একটি দিন কাটাল দলটি। মাত্র ৭২ রানেই অলআউট হওয়ার পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে ৪ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে হেরেছে তারা।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে কুমিল্লাকে এখন পর্যন্ত আসরের সর্বনিম্ন রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল চট্টগ্রাম। যা বিপিএলে দলটির দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। এখানে অবদান বাঁ-হাতে ঘূর্ণি দেখানো স্পিনার তানভীর ইসলামের। মাত্র ১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।
রানতাড়ায় শুরুটা সাবধানী ছিল কুমিল্লার। প্রথম ৩ ওভারে ১২ রান তোলে দলটি। এরপরই ফেরেন অধিনায়ক লিটন। টানা রানখরার বৃত্তে আটকে থাকা এই ওপেনার আজও মাত্র ২ রানে (৯ বল) আউট। মিডিয়াম পেসার বিলাল খানের বলে তিনি তানজিদ তামিমকে ক্যাচ দিয়েছেন।
তিনে নামা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন মাত্র ৫ রানে ফেরেন। ফলে ছোট পুঁজির সামনেও কুমিল্লা কিছুটা চাপ অনুভব করতে থাকে। সেই চাপ সামাল দিয়েছেন হৃদয়। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ানও রানের জন্য চলতি বিপিএলে সংগ্রাম করছেন।
রিজওয়ান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেও ২৪ বলে করেছেন মাত্র ১৬ রান। হৃদয় আউট হওয়ার আগে ১৩ বলে ৫টি চার ও এক ছক্কায় ৩১ রান করেন। যার বদৌলতে ৯.২ ওভারেই কুমিল্লা আসরের তৃতীয় জয় নিশ্চিত করে।
এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচ খেলেছে তারা। চট্টগ্রামের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন আল আমিন, জিয়াউর রহমান ও বিলাল খান। এর আগে প্রথম ইনিংসে তিনে নামা টম ব্রুসই কেবল চট্টগ্রামের হয়ে কিছুটা লড়াই চালিয়েছেন। ২০ বলে নিউজিল্যান্ডের এই ব্যাটসম্যান ৪টি চারের মারে ২৭ রান করেন।
এরপর বলার মতো রান পাননি কেউই। ব্রুসের পর কেবল দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পেরেছেন নাজিবুল্লাহ জাদরান। তাও ১৬ বল খেলে তিনি করেন ১১ রান। চট্টগ্রামের আত্মঘাতী ব্যাটিংয়ের দিনে পাঁচজনই শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
এ কারণে ৩.৩ ওভার হাতে রেখেই তারা গড়ে লজ্জার স্কোর- ৭২। কুমিল্লার হয়ে তানভীর ছাড়া ২টি উইকেট পেয়েছেন আলিস আল ইসলাম। এছাড়া রেমন রেইফার, মুস্তাফিজুর রহমান ও আমের জামাল একটি করে শিকার করেন।


