প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
গোলাগুলি শব্দ পাওয়া গেছে। ফলে সীমান্তের কাছাকাছি চিংড়ির খামারে থাকা লোকজন ভয়ে পালিয়ে এসেছে। তবে আগের তুলনায় গোলার শব্দ অনেকটা কমে গেছে।
চিংড়িঘেরের মালিক শাহীন শাহজাহান বলেন, ‘নাফ নদের ওপারে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেনের গ্রুপের লোকজন আত্মগোপনে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার সকালে মিয়ানমারের ওপার থেকে যেসব গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে সেগুলো তাদের মধ্যকার ঘটনা হতে পারে।’ হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমেদ আনোয়ারী, সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুস সালাম, শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়ার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আমিনও এমনই বলেছেন।
টেকনাফের ইউএনও মো. আদনান চৌধুরী বলেন, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। এ সময়ে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। তবে শুক্রবার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হোয়াইক্যং ও বিকালে শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত দিয়ে বিকট শব্দ শোনা গেছে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। আর সীমান্তে বসবাসরত মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
মিয়ানমারের গণমাধ্য ইরাবতী জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যে বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গা পুরুষদের সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে। এসব রোহিঙ্গা রাখাইনের বিভিন্ন আশ্রয়শিবির ও কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দা। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, জান্তা সরকার যুদ্ধেক্ষেত্রে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা জন্য রোহিঙ্গাদের নিয়োগ দিচ্ছে।


