Homeএই মুহুর্তেচট্টগ্রামে মঞ্চস্থ হয়েছে প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের ‘ লাল কমল ও নীল কমল...

চট্টগ্রামে মঞ্চস্থ হয়েছে প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের ‘ লাল কমল ও নীল কমল ’

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

বিপুল সংখ্যক শ্রোতা দর্শকের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামে মঞ্চস্থ হয়েছে পূর্ণাঙ্গ আবৃত্তি প্রযোজনা “স্বপ্নে হারাই অচিনপুর”। সোমবার সন্ধ্যার পর চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে দেশের অন্যতম আবৃত্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রমা আবৃত্তি সংগঠন। শিশু শিল্পীদের অংশগ্রহণে প্রমার আবৃত্তিসন্ধ্যা শিরোনামে “স্বপ্নে হারাই অচিনপুর” প্রযোজনার ৭ ম মঞ্চায়ন।

 

সন্ধ্যা সোয়া ৭ টায় প্রমা আবৃত্তি সংগঠন সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পালের সঞ্চালনায় প্রমা সভাপতি ও বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদ হাসানের সূচনা বক্তব্যে অনুষ্ঠান শুরু হয়। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী সাহিত্যিক দক্ষিণা রঞ্জন মিত্রের লাল কমল ও নীল কমল গল্প অবলম্বনে ৪৫ মিনিটের এই প্রযোজনার নির্দেশনা দিয়েছেন আবৃত্তিশিল্পী তৃষিতা চৌধুরী। প্রযোজনার মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনা করেন বাপ্পা চৌধুরী ও তবলায় সহায়তা করেন রানা বড়ুয়া। প্রযোজনায় অর্ধশত শিশুশিল্পী অংশ গ্রহণ করেন। শিশুদের শিল্পিত পরিবেশনা দর্শক ও শ্রোতাদের আবিষ্ট করে রাখে।

 

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত আবৃত্তি দল হিসেবে বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদ। আবৃত্তিশিল্পী সোহেল আনোয়ার এর গ্রন্থনা ও সঞ্জয় পালের নির্দেশনায় তারা পরিবেশন করেন ” হাসির সুতোয় বোনা “।

 

প্রমা আবৃত্তি সংগঠন সভাপতি রাশেদ হাসান বলেন, শিশুদের স্বপ্নের জগৎ অমূল্য সম্পদ। আমরা স্বপ্নে হারাই অচিনপুর প্রযোজনায় শিশুদের স্বপ্নকে ধরতে চেষ্টা করেছি। দক্ষিণারঞ্জন মিত্রের ” ঠাকুমার ঝুলি ” বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। সেখান থেকে “লাল কমল নীল কমল ” গল্প নেয়া হয়েছে। যেখানে ন্যায়ের জয় হয়েছে, অন্যায় পরাজিত হয়েছে। যেখানে মানবিকতার কথা বারবার এসেছে। আমরা শিশুদের মধ্যে ন্যায় আর মানবিকতার বোধ তৈরী করতে আজকের প্রযোজনা সহায়ক হবে।

প্রমা আবৃত্তি সংগঠন সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে প্রমা চট্টগ্রামে আবৃত্তি সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। একক,দলীয় পরিবেশনার পাশাপাশি আমরা মাঝে মাঝে পূর্ণাঙ্গ আবৃত্তি প্রযোজনা নির্মাণ করে মঞ্চায়ন করে থাকি। লাল কমল ও নীল কমল আমাদের তেমন একটা পূর্ণাঙ্গ প্রযোজনা। এবার এ প্রযোজনার ৭ ম মঞ্চায়ন হয়েছে।

প্রযোজনা নির্দেশক তৃষিতা চৌধুরী বলেন, ছোটবেলা থেকে নানী,দাদির কাছে নানান রকম রূপকথার গল্প শুনে আমরা বড়ো হয়েছি। কিন্তু আজকের শিশুরা সেই সুযোগ পাচ্ছেনা। তাদের মধ্যে বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী রূপকথার গল্প উপস্থাপন এবং রূপকথার মানবিক দিকগুলো উপস্থাপনের সুযোগ পেয়েছি এই প্রযোজনার নির্দেশনা দিতে গিয়ে। তিনি আরো বলেন, শেষ পর্যন্ত যে মানবিকতা ও সভ্যতারই জয় হয়,সেটি লাল কমল ও নীল কমল প্রযোজনার মাধ্যমে আবারো উপস্থাপন করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়