প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
বহদ্দারহাট ও আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ ছিল অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ। এমনকি খাল ও ড্রেনের ওপরে অতীতের মেয়ররা নির্মাণ করেছিলেন মার্কেট। দখলের কারণে চাক্তাই খাল সরু হতে হতে এক পর্যায়ে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় খালের ওপরের অবৈধ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে খালটিও ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পেতে শুরু করেছে। ব
হদ্দারহাট খতিবের হাট হয়ে আসা মির্জাখালটি কাঁচাবাজারের আগে চাক্তাই খালের সঙ্গে মিশছে। কাঁচাবাজার এলাকার পানি এখন পুলিশ বক্স হয়ে চাক্তাইখালে যাবে। অন্যদিকে ডোমখালী খালেও যাবে। ফলে এখন পানি প্রবাহে বাধা থাকছে না।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আগের মেয়র খালের জায়গায় দখল করে সেখানে চসিকের ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি আমরা ভবনটি ভেঙে দিয়েছি। এছাড়াও চসিকের নির্মাণাধীন আরেকটি ভবনের কিছু অংশ ভেঙে দিয়েছি। জলাবদ্ধতা নিরসনে ভোগান্তি কমাতে সব ধরনের কাজ করছি।
জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফেরদৌস আহমেদ বলেন, মৃত প্রায় খালটিকে উদ্ধারে কাজ করছি। কাঁচাবাজার অংশে চাক্তাই খালের পানি যাওয়ার পথ ছিল না। বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনায় খালটি বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে চসিকের মার্কেট ভেঙে খালটি প্রশস্ত করার কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, ওই অংশে চাক্তাই খালের পানি মির্জা খালে যাওয়ার কথা। কিন্তু দখলের কারণে চাক্তাই খাল এখানে এসে বিলীন হয়ে যায়। আমরা এখন চাক্তাই খালের ওই অংশকে পুনরুদ্ধার করে মির্জা খালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের কাজ করছি। প্রায় দুইশ মিটারের মত সংযোগ স্থাপন করতে হবে।


