বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
spot_img
Homeচট্টগ্রামচট্টগ্রামে যে কারণে বাড়ছে লোডশেডিং

চট্টগ্রামে যে কারণে বাড়ছে লোডশেডিং

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

চট্টগ্রামে জ্বালানি নির্ভর একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় উৎপাদনও কমে গেছে। প্রসঙ্গত, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট ছাড়া অবশিষ্ট সব বিদ্যুৎকেন্দ্রই গ্যাস এবং ফার্নেস অয়েল নির্ভর। জ্বালানি তেল নির্ভর এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের বেশির ভাগই বেশ কিছুদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বছরের পর বছর বন্ধ রয়েছে। সূত্র আজাদী।

পিডিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রীষ্মের শুরুতে গরমের মাত্রা বাড়ার সাথে সাথে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়ে গেছে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে চাহিদা অনুপাতে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। গতকাল দিনের বেলায় চট্টগ্রামে ৪০০ মেগাওয়াটের মতো লোডশেডিং ছিল।

সন্ধ্যায় কিছুটা কমে ১৫০ মেগাওয়াটের মতো লোডশেডিং ছিল। এই ব্যাপারে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ চট্টগ্রাম দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ  বলেন, লোডশেডিং একটু বেড়ে গেছে। আজকে (গতকাল বুধবার) দিনের চাহিদা ছিল ১ হাজার মেগাওয়াট, আমরা পেয়েছি ৬০০ মেগাওয়াট। ৪০০ মেগাওয়াটের মতো লোডশেডিং ছিল।

সন্ধ্যায় আবার লোডশেডিং কমে এসেছে। সন্ধ্যায় ১৫০ মেগাওয়াটের মতো ছিল। জ্বালানি নির্ভর কিছু বন্ধ রয়েছে। হাটহাজারী পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট বন্ধ। শিকলবাহাও বন্ধ রয়েছে। কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু আছে; এটি থেকে ৪০–৫০ মেগওয়াটের মতো পাওয়া যায়। বৃষ্টি হলে কাপ্তাইয়ের সব গুলো ইউনিট চালু হতো।

পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, নগরী ও জেলা জুড়ে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে দিনের কিছু কিছু সময়ে লোডশেডিংও করা হচ্ছে। গত মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে গেছে। এখন দিনের বেলায় নগরীতে লোডশেডিং হচ্ছে বলে পিডিবি সাব স্টেশনের নির্বাহী প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন।

এদিকে পিডিবির জ্বালানি নির্ভর যে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে যেগুলো এই গ্রীষ্ম মৌসুমে ঠিক মতো সচল রাখতে যে পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন তা নিয়ে চিন্তিত পিডিবি। গতকাল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে লোডশেডিং শুরু হয়; যা সারাদিন ছিল।

গতকাল দিনের বেলায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেশি ছিল। এই কারণে গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষ বেশি দুর্ভোগে পড়েন। স্থানীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা মতো বিদ্যুৎ পাওয়া গেলে এবং জ্বালানি সংকট কিছুটা কমলে চট্টগ্রামে উৎপাদন আরও বাড়বে বলে জানা গেছে।

এদিকে ভারী বৃষ্টিপাত হলে কাপ্তাই পানি বিদ্যুকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু হবে বলে জানান কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক। এই পাঁচটি ইউনিট চালু হলে ২২০ থেকে ২৪০ মেগওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়