প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের আত্মার সম্পর্ক। এই সম্পর্ক রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে ১৯৭১ সালে। যা কাঁটাতারের বেড়ায় বিচ্ছিন্ন হবার নয়। চট্টগ্রামের মানুষকে প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। এই এলাকার মানুষ সাহসী। তাই এখানে জন্ম অনেক বীর সন্তানের।
৮ জানুয়ারি রবিবার ভারতীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব আয়োজিত অনুষ্ঠানে ড. হাছান মাহমুদ আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের সোপানে অবতীর্ণ। অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছানো বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ভারতীয় সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আনতে পেরে অত্যন্ত আপ্লুত। বাংলাদেশ যে বদলে গেছে তা তারা প্রত্যক্ষ করছেন।
ভারতীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাব সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজা। যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, কলকাতা প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশীষ সুর, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি তপন চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি চৌধুরী ফরিদ, বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি শহীদ উল আলম, কলকাতা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কিংশুক প্রামাণিক, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, আমার আসামের এডিটর ইন চিফ মনোজ কুমার গোস্বামী।
সভাপতির বক্তব্যে সালাহ্উদ্দিন মো. রেজা বলেছেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের নাড়ির সম্পর্ক। আজকের এ আয়োজন এই সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করবে। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আগামীর পথ চলায় মাননীয় তথ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন প্রেস ক্লাব সভাপতি।
স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। দু’দেশের মেলবন্ধন কখনো বিচ্ছিন্ন হওয়ার নয়।
কলকাতা প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশীষ সুর বলেন, উপমহাদেশে চট্টগ্রামের গুরুত্ব অপরিসীম। অখণ্ড ভারত গঠন আন্দোলন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে চট্টগ্রামের রয়েছে বিশেষ ভূমিকা। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা অন্যতম।
এ সময় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কলিম সরওয়ার, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সহসভাপতি মনজুর কাদের মনজু, অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন হায়দার, ক্রীড়া সম্পাদক এম সরওয়ারুল আলম সোহেল, গ্রন্থাগার সম্পাদক আহমেদ কুতুব, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক আল রাহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশেদুল আলম শামীম, কার্যকরী সদস্য জসীম চৌধুরী সবুজ, মোয়াজ্জেমুল হক, মো. আইয়ুব আলী, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, কলকাতা প্রেস অ্যাক্রিডেশন কমিটির সেক্রেটারি বিশ্বনাথ মজুমদার, এই সময়ের সম্পাদক হীরক বন্দোপাধ্যায়, আনন্দবাজার অনলাইনের সম্পাদক অনিন্দ্য জানা, ইন্দো বাংলা নিউজের সম্পাদক রজত রায় চৌধুরী, দ্য টেলিগ্রাফের ব্যুরো চীফ দেবদীপ পুরোহিত, কলামিষ্ট সুমন ভট্টাচার্য্য, আনন্দবাজার পত্রিকার সহকারী সম্পাদক অনামিত্র চ্যাটার্জি, জনপথ সমাচারের ব্যুরো প্রধান নিতাই মালাকার, টাইম্স অব ইন্ডিয়ার সহকারী সম্পাদক রোহিত খান্না, গণশক্তির ডেপুটি চীফ রিপোর্টার চন্দন দাশ, আজকালের সিনিয়র রিপোর্টার তারিগ হাসান, কলকাতা টিভির সিনিয়র রিপোর্টার দেবাশীষ সেনগুপ্ত, বাংলার চোখ এর বিশেষ প্রতিনিধি সুমন গাঙ্গুলী, কোলকাতা প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য দেবযানী লাহা ঘোষ, দ্য ওয়াল এর নির্বাহী সম্পাদক অমল সরকার, প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক অশোক সেনগুপ্ত, এস নিউজের সিনিয়র এডিটর পার্থ মুখোপাধ্যায়, উত্তর বঙ্গ সংবাদের কলকাতা ব্যুরো প্রধান পুলকেশ ঘোষ, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসকমিউনিকেশন বিভাগের এইচওডি, বর্তমান এর প্রিন্সিপাল করেসপনডেন্ট প্রিতেশ বসু, তাজা টিভির পরিচালক রুপেশ বায়েতি, জাগো বাংলার অ্যাসিস্টেন্ট এডিটর জয়িতা মৌলিকা, সাংবাদিক সুনিত কান্ত পালাধি, ভারতের আসাম থেকে দ্য আসাম ট্রিবিউনের এক্সিকিউটিভ এডিটর পি জে বড়ুয়া, প্রাগ নিউজের এডিটর ইন চিফ প্রশান্ত রাজগুরু, ডিএ নিউজ প্লাসের এডিটর ইন চিফ প্রণয় বরদোলই, আসামীয়া প্রতিদিনের বার্তা সম্পাদক পার্থ দেব গোস্বামী, নিউজ ১৮ আসামের সম্পাদক (উত্তর-পূর্ব) ড. সঞ্জয় পাল, ডিওয়াই ৩৬৫ এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক প্রাঞ্জিত শাক্য, দৈনিক যোগসংখ্যার চিফ রিপোর্টার বিরেশ্বর দাশ, সাংবাদিক সৌমেন ভারতীয়’সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ভারতের ৩৪ জন সাংবাদিককে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। কলকাতা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের হাতে কৃতজ্ঞতা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।


