প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
দেশের সবচেয়ে বড় চারটি মুরগি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিয়েছে, তারা রমজান মাসে খামার থেকে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০-১৯৫ টাকায় বিক্রি করবে।
অতিরিক্ত দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রির কারণ জানতে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে তলব করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- কাজী ফার্মস লিমিটেড, আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেড, সিপি বাংলাদেশ ও প্যারাগন পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় তাদের ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে ডাকা হয়। জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, অতিরিক্ত দামে মুরগি বিক্রির কারণ জানতে তাদের ডাকা হয়েছে। তারা বলেছেন, প্রতি কেজি মুরগির উৎপাদন খরচ ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। কিন্তু লাভের তো একটা সীমা থাকা উচিত। আমরা প্রমাণ পেয়েছি তারা ২২০ টাকা করে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছে। এর কারণটা কী সেটাই জানার জন্য তাদের ডাকা হয়েছে।
তারা বলেছেন, গত বছর থেকে এই সময়ে ভুট্টা ও সয়াবিনের দাম সর্বোচ্চ ১৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এরপরও পবিত্র রমজানের জন্য আমরা ব্যবসার ক্ষতি করে হলেও নির্ধারিত দামে বৃহস্পতিবার ব্রয়লার বিক্রি করব। ভুট্টা ও সয়াবিন পোলট্রি খামারে মুরগির খাদ্য তৈরির অন্যতম উপাদান।
ভোক্তা অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়, বুধবার রাজধানীতে বাজার তদারকির সময় নিউমার্কেটের বনলতা কাঁচাবাজারে খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগি ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে ২১৫ থেকে ২২৫ টাকার মধ্যে মুরগি বিক্রির তথ্য পেয়েছে অধিদপ্তর।
বাজার তদারকিতে ছিল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।
ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, সব ধরনের লাভ করার পরও ঢাকার বাজারে ৫০-৬০ টাকা অতিরিক্ত দামে মুরগি বিক্রি হচ্ছে। সারা দেশে আজকে ফার্ম থেকে প্রতি কেজি ২২০-২৩০ টাকায় ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে। এতে বাজার চড়ে আছে। তবে আজ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বসে আমরা একটা জায়গায় এসেছি, তাতে আশা করি বাজারে দাম কমে আসবে।


