Homeএই মুহুর্তেআর্থিক প্রতিষ্ঠানেরও সুদহার বাড়ল

আর্থিক প্রতিষ্ঠানেরও সুদহার বাড়ল

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

ব্যাংকের পর এবার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ ও আমানতের সুদহার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আর্থিক ও লিজিং প্রতিষ্ঠান ঋণ ও বিনিয়োগের সুদ নিবে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ। আর আমানতের বিপরীতে গ্রাহককে সুদ দিবে ১২ দশমিক ১১ শতাংশ।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে দেওয়া এক নির্দেশে সুদহার বৃদ্ধির এ আদেশ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে সকল প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি দেওয়া নির্দেশে ব্যাংক ঋণে সুদহার হিসাব করতে স্মার্ট রেট ৯ দশমিক ৬১ শতাংশের সঙ্গে ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ যোগ করতে বলা হয়। এতে ব্যাংক ঋণ ও বিনিয়োগের সুদহার হয় ১৩ দশমিক ১১ শতাংশ।

নতুন নির্দেশে আর্থিক ও লিজিং কোম্পানি আমানতের ক্ষেত্রে স্মার্ট করিডর পদ্ধতিতে মার্চ মাসের নির্ধারিত ৯ দশমিক ৬১ শতাংশের সঙ্গে ২ দশমিক ৫০ শতাংশ যোগ করে মোট সুদহার হিসাব করতে হবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও লিজিং কোম্পানি সাধারণত ব্যাংক ও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের তহবিল নিয়ে ব্যবসা করে থাকে। একইভাবে স্মার্ট রেট ৯ দশমিক ৬১ শতাংশের সঙ্গে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ যোগ করে আর্থিক ও লিজিং কোম্পানি ঋণ ও বিনিয়োগের সুদহার হিসাব করবে।

গত বছরের জুলাইয়ে ঋণ ও আমানতের সুদহার যথাক্রমে ৯ ও ৬ শতাংশ তুলে দেওয়া হয়। সূচনা করা হয় সিক্স মান্থ এভারেজ মুভিং রেট অব ট্রেজারি বিল বা স্মার্ট করিডর পদ্ধতি। মূল্যস্ফীতি কমাতে তখন থেকেই স্মার্ট পদ্ধতির আওতায় ঋণের সুদহার ধারাবাহিকভাবে বাড়াতে থাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সে ধারাবাহিকতায় ব্যাংক ঋণের সুদহার মার্চে এসে বেড়ে ১৩ শতাংশ অতিক্রম করে।
গত দুই মাস জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংক ঋণের সুদহার ছিল সাড়ে ১২ শতাংশের মতো।

বাংলাদেশ ব্যাংক ফেব্রুয়ারি মাস শেষে স্মার্ট করিডর হিসাব করে গড়হার ঘোষণা করে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। এরসঙ্গে মার্জিন ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ যোগ করে ঋণের সুদহার হিসাব করবে ব্যাংক।

আর নতুন সার্কুলার অনুযায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও লিজিং কোম্পানি ঋণ ও বিনিয়োগে মার্জিন পাবে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। আমানত সংগ্রহের ক্ষেত্রে এ মার্জিন হবে ২ দশমিক ৫০ শতাংশ।

উল্লেখ্য, মুদ্রানীতিতে আগামী জুন মাস নাগাদ মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ শতাংশে নামিয়ে আনা। সেই লক্ষ্য অর্জন হয়নি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে গত মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এর আগের মাস জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছিল ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।

বাজার পর্যবেক্ষণ থেকে জানা যায়, চলতি মার্চ মাসে পবিত্র রমজান শুরুর আগেই অনেক নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা নেই বলে পর্যবেক্ষক মহল মনে করে।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়