প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
গত শুক্রবার সকালে সোনার বাংলা এক্সপ্রেসে চট্টগ্রাম আসেন রেল সচিব। ওইদিন রাতে রেলওয়ের রেস্টহাউসে চট্টগ্রামে কর্মরত রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। গতকাল সকালে সিআরবিতে তথ্য অধিকার আইন নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য দেওয়ার পর দুপুরে অংশীজন সভায় অংশ নেন।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক নাজমুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় সিওপিএস শহীদুল ইসলাম, সিসিএম মাহাবুবর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সারওয়ার কামালসহ রেলওয়ের অংশীজন প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সিআরবিতে অংশীজন সভায় নতুন কালুরঘাট সেতু ছাড়াও চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল প্রসঙ্গেও কথা বলেন রেল সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, কক্সবাজার রেলপথটি দ্রুত দেশের অন্যতম লাভজনক রুটে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে এখন একটি স্পেশাল ট্রেন চলছে। এটি বন্ধ হবে না। এই রুটে আরো ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী স্পেশাল ট্রেনে গত ১১ দিনে ১৬ হাজার যাত্রী ভ্রমণ করেছে। এতে রেলওয়ের ২৯ লাখ ৩৫ হাজার ৮৮০ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। যাত্রী চাহিদার কারণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্পেশাল ট্রেনটি আরও এক মাস বাড়িয়ে আগামী ২৪ জুলাই পর্যন্ত চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২৪ জুন বন্ধ হওয়ার কথা থাকা ছিল ট্রেনটি।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের স্পেশাল ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে প্রতিদিন সকাল সাতটায় ছেড়ে যায়। কক্সবাজারে পৌঁছায় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে ছাড়ে সন্ধ্যা সাতটায়। চট্টগ্রামে পৌঁছায় ১০টায়। যাত্রাপথে ট্রেনটি ষোলশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামু স্টেশনে থামে। বিশেষ এই ট্রেনে শোভন শ্রেণির আসনের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া ৪৫ টাকা, প্রথম শ্রেণি আসনের জন্য ১৮৫ টাকা। তবে কক্সবাজার পর্যন্ত এই ভাড়া যথাক্রমে ১৮৫ ও ৩৪০ টাকা।


