প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চট্টগ্রাম নগরীর ১০ করিডোর ও ২০ স্থানকে সড়ক দুর্ঘটনার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতি কিলোমিটারে মৃত্যুর সংখ্যার উপর ভিত্তি করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে প্রকাশিত চট্টগ্রাম সিটি রোড সেফটি প্রতিবেদন ২০২৫ এ এমন তথ্য উঠে এসেছে। ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশেয়টিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি নগরীর পুলিশি তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। ব্লুমবার্গের এটি তৃতীয় প্রতিবেদন।
প্রতিবেদনে দুর্ঘটনা প্রবণ ১০ মোড় ছাড়াও নগরের ২০টি স্থানকে দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নগরীতে সংগঠিত দুর্ঘটনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ ২০ স্থান: সড়ক দুর্ঘটনার মৃত্যুর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নগরের ২০টি স্থানকে শীর্ষ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানগুলো হলো-বড়পোল, বহদ্দারহাট, অলংকার মোড়, মুরাদপুর বাস স্টেশন, সিইপিজেড গেট, নতুন ব্রিজ বাস স্টেশন, সিটি গেট, আর্টিলারি ইন্টারসেকশন মোড়, নিউ মার্কেট বাস স্টেশন, বাহির সিগন্যাল ইন্টারসেকশন, সাগরিকা গোল চত্বর, পাবলিক স্কুল ইন্টারসেকশন, একে খান ইন্টারসেকশন, বারিক বিল্ডিং বাস স্টেশন, মাইজপাড়া ইন্টারসেকশন, কর্নেল হাটবাজার, এনআইটি ইন্সটিটিউট, খেজুর তলা, সিএন্ডবি ইন্টারসেকশন ও পাকা রাস্তার মাথা। প্রতিটি মোড়ে বিগত তিন বছরে অন্তত চারটি মৃৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে বড়পোল ও অলংকার মোড়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক সাতজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া সিইপিজেড গেট, সিটি গেট, নিউ মার্কেট বাস স্টপেজ ও সাগরিকা মোড়ে ধারাবাহিকভাবে ছয়টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বড়পোল, একে খান ইন্টারসেকশন, আর্টিলারি ইন্টার সেকশন এবং পাকা রাস্তার মাথার মতো স্থানগুলোতে ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটেছে। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ র্যাংকিংয়ে স্থানগুলোর অবস্থান আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মোটরসাইকেলের ঝুঁকিপূর্ণ ১০ স্থান: নগরের ১০ স্থানকে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রতিবেদনে। স্থানগুলো হলো, সরাইপাড়া, আর্টিলারি মোড়, পাঁচ নম্বর ঘাট, ফকির হাট, লালখান বাজার, সেগুন বাগান, বারুনি ঘাট, নিমতলী বাস স্টেশন, মনসুর আলি মাজার এলাকা ও শুলকবহর এন মোহাম্মদ প্লাস্টিক কারখানা এলাকা।


