শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
spot_img
Homeএই মুহুর্তেদেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত কোনো রোগী নেই: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত কোনো রোগী নেই: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে রাজধানীর মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে- এমন খবরের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে মাঙ্কিপক্স ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী নেই।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধানের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমসহ বেশ কিছু অনলাইন ও ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যমে ‘দেশে বিদেশি একজন নাগরিকের দেহে মাঙ্কিপক্সের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে’ বলে তথ্য প্রচার হচ্ছে, যা সঠিক নয়। দেশে মাঙ্কিপক্সে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি আক্রান্ত হননি। ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির আক্রান্তের ঘটনা কখনো ঘটলে- তা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। এ মুহূর্তে দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি নেই।’

এর আগে মাঙ্কিপক্স সন্দেহে তুরস্কের একজন নাগরিককে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করার তথ্য যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ।

তিনি জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুপুর ১২টায় তুর্কি এয়ারলাইনসে আসা একজন বিদেশি নাগরিক ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় মাঙ্কিপক্স ভাইরাস আক্রান্ত বলে সন্দেহ হয়। পরে তাকে বিমানবন্দর হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। বিমানবন্দরে থেকে বিকাল ৩টার দিকে তাকে রাজধানীর সংক্রামকব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সংক্রামক ব‌্যা‌ধি হাসপাতা‌লের প‌রিচালক ডা. মিজানুর রহমান ব‌লেন, স‌ন্দেহভাজন ব‌্যক্তি‌কে বিকাল ৩টার দি‌কে আমা‌দের এখানে ভ‌র্তি করা হ‌য়ে‌ছে। আমরা ১০ বে‌ডের আই‌সো‌লেশন ওয়া‌র্ডে তা‌কে পর্যবেক্ষ‌ণে রেখেছি। আইইডিসিআর নমুনা নিয়ে গেছে। আর‌টিপিসিআর পরীক্ষার ফলাফল শেষে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে তার মাঝে ‘মাঙ্কিপক্স’ সংক্রমণ আছে কি না।

প্রসঙ্গত, পশ্চিমা দেশগুলোয় মাঙ্কিপক্স সংক্রমণ বাড়ছে। আফ্রিকার বাইরে বিশ্বের কমপক্ষে ৩০টি দেশে ছড়িয়েছে রোগটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দুদিনের আগের দেওয়া তথ্যমতে, ৩০ টি দেশে ৭০০ জনের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনই যুক্তরাষ্ট্রের।

মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগী প্রথম পাওয়া যায় ব্রিটেনে। এরপর ইউরোপের স্পেন, জার্মানি, পর্তুগাল, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশে এ রোগ শনাক্ত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়