প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাই-কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের আত্মার সম্পর্ক। ভূ-তাত্ত্বিক সীমানা আত্মার সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে না। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কখনও ছিন্ন হবে না। সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে।
তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ও দর্শন ছিলো সমাজ থেকে অন্যায়-অত্যাচার, নিপীড়ন ও হানাহানি দূর করে মানুষে মানুষে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলা। যখনই অন্যায়-অবিচার সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট হয় তখনই শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছেন আপন মহিমায়। তিনি অধর্মকে বিনাশ করে ধর্ম ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুগে যুগে পৃথিবীতে আগমন করেন। তিনি গতকাল ১৯ আগস্ট রাতে শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ-বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত নগরীর জেএম সেন হলে জন্মাষ্টমী উৎসবের মহাধর্মসম্মেলনের ২য় পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শিল্পপতি সুকুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আশীর্বাদক ছিলেন ঋষিধাম ও তুলসীধামের মোহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী মহারাজ। মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন করেন চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ ও পাঁচুরিয়া তপোবন আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী রবীশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট ধর্মতত্ত্ববিদ অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন। চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য্যরে সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জন্মাষ্টমী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুজিত কুমার বিশ্বাস, চট্টগ্রাম মহানগর জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি লায়ন দুলাল চন্দ্র দে, সাধারণ সম্পাদক লায়ন শংকর সেনগুপ্ত, জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রা পরিষদের আহবায়ক মাইকেল দে, সদস্য সচিব রতন ভট্টাচার্য্য, চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল, পরিষদ কর্মকর্তা লায়ন তপন কান্তি দাশ, প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, রতন আচার্য্য, অমিত চৌধুরী, লায়ন দিলীপ ঘোষ, শিবু প্রসাদ দত্ত, তাপস কুমার নন্দী, শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত প্রমুখ। আজ ২০ ও কাল ২১ আগস্ট চলছে ষোড়শপ্রহরব্যাপী মহানাম সংকীর্ত্তন। দুপুরে ও রাতে চলছে মহাপ্রসাদ আস্বাদন।


