রবিবার, মে ৩১, ২০২৬
spot_img
Homeমুল পাতামার্কিন ও ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শঙ্কায় ইরান

মার্কিন ও ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শঙ্কায় ইরান

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন মোতায়নের পর সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইরান। দেশটি শঙ্কা করছে মার্কিন ও ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হতে পারে। দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, মার্কিন নৌবহরটি ইরানকে আঘাত করার জন্য পর্যাপ্ত দূরত্বে রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হামলার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব। যাতে দেশটির জনগণ পুনরায় রাস্তার বিক্ষোভে নামে এবং অভ্যন্তরীণ চাপ সৃষ্টি করে। তবে সরাসরি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক প্রোগ্রাম দুর্বল করা এই হামলার লক্ষ্য হবে না।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগকে সামাজিক সংহতি ভাঙার কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, বিক্ষোভকারীরা অস্ত্র নেওয়ার চেষ্টা করলে এটি গৃহযুদ্ধের উস্কানি হতে পারে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক চুক্তির আলোচনা হচ্ছে—এটি মিথ্যা। ইরানের সেনাবাহিনী প্রতিটি পদক্ষেপ সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং কোনো আগ্রাসনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে।

দুই সপ্তাহ আগে ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত ছিলেন। তবে ইরানি বিক্ষোভকারীরা মার্কিন সহায়তার প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় অসন্তুষ্ট। মানবাধিকার সংস্থা অনুযায়ী, বিক্ষোভে ইতোমধ্যেই কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছেন। অনেককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কিছু দেশ ঘোষণা দিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা বা সমুদ্রসীমা ব্যবহার করে হামলার অনুমতি দেবে না। যদিও মার্কিন বিমানবাহী স্ট্রাইক গ্রুপটি ভূমধ্যসাগরে অবস্থান করছে। এই কারণে অনেক তৃতীয় পক্ষের অনুমতি ছাড়াই হামলা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জানুয়ারির তুলনায় এখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলার জন্য অনেক বেশি সামরিকভাবে প্রস্তুত। এরই মধ্যে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে আরও যুদ্ধবিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছেন ট্রাম্প। এই সামরিক প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে যাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়