প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের অ্যাডভান্সড আয় করের ব্যাপারে তেল আমদানির সময় কিছু সুবিধা পাওয়া যেত। সেই সুবিধার কারণে আমরা চিন্তা করছি যে, হয়তো তেলের মূল্য কিছুটা সমন্বয় করতে পারব। সে বিষয়ে এখনো হিসাবটা যাচাই-বাছাই চলছে। আমরা আশা করছি এখানে একটা পরিবর্তন আসতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার যেহেতু ডিউটির ব্যাপারে কিছুটা রিডিউস করেছে, সেটা হয়তো কিছুটা আমাদের জন্য… তেলের মার্কেট আবার বেড়ে গেছে। এখন ১৫০-এর ঊর্ধ্বে চলে গেছে, কিছুদিন আগে যেটা ১৩০ ছিল। এখানে এই অবস্থায় কতটা সমন্বয় করতে পারবো… কারণ এখানে ভর্তুকির বড় একটা অংশ যোগ হবে। ডিজেল যখন ১১৪ ছিল তখন ৮ টাকার ওপর ভর্তুকি ছিল। এখন হয়তো সেই জায়গাটা আরও বাড়বে। কিন্তু তারপরও এটা রিডিউস করার পর কতটা অ্যাডজাস্ট হবে, এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। হয়তো আজ-কালকের মধ্যে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারব।’
‘জ্বালানি তেলের আমদানি শুল্ক কমানোর প্রভাব জানতে ২-৩ দিন লাগবে’
এর আগে আজ সোমবার পেট্রল পাম্প মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ জানান, জ্বালানি তেলের আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে মূল্য কাঠামোতে কী প্রভাব পড়বে, তা জানতে ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমদানি পর্যায়ে শুল্ক কমানোর বিষয়টা মাত্র ২টা জায়গায় আংশিক কমেছে। এটি নিয়ে অ্যাকাউন্টস শাখা কাজ করছে। ‘এখনো আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ডিজেলের দাম ১৩২ ডলার। যার ফলে ডিজেল বিক্রিতে প্রতি লিটারে সাড়ে ৯ থেকে ১০ টাকা লস করছে বিপিসি।’


