প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
সদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রধান বিরোধীরা ভোটের বাইরে থাকায় এবারও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে বেগ পেতে হয়নি টানা তিন মেয়াদ ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের। দুই শতাধিক আসনে বিজয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আগামীকাল বুধবার (১০ জানুয়ারি) জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঐতিহাসিক দিনে শপথ নিতে যাচ্ছেন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এর পরদিন বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা। ইতোমধ্যে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের তোড়জোড় শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। অনুষ্ঠানে ১৪০০ অতিথি উপস্থিত থাকবে বলে জানা গেছে।
নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার পর এবার আলোচনা শুরু হয়েছে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে। সর্বত্রই কৌতূহল- নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় কে থাকছেন, কে বাদ যাচ্ছেন আর নতুন করে কে যুক্ত হচ্ছেন। এবারের সরকারেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন শেখ হাসিনা সেটা অঘোষিতভাবে চূড়ান্ত। তিনিই ঠিক করছেন মন্ত্রিসভা কাঠামো।
সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও ইতোমধ্যে নিজের পরবর্তী মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। কতজনের মন্ত্রিসভা হবে, কয়জন মন্ত্রী, কয়জন প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন সেটা তিনি ঠিক করেছেন। বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ থেকে কাকে কাকে বাদ দেওয়া হবে, নতুন করে কারা যুক্ত হবে না সেটা নিয়ে তিনি হোমওয়ার্ক সারছেন।
জানা গেছে, আগামীকালের মধ্যেই নতুন মন্ত্রিসভায় কারা জায়গা পাচ্ছেন সেই তালিকা চূড়ান্ত হয়ে চলে যাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। সেই তালিকা অনুযায়ী ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে ডাক পাবেন সম্ভাব্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের সরকারের যাত্রা শুরু হবে।
নতুন মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে সেটা সম্পর্কে এখনো কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি যানবাহন অধিদফতরকে (পরিবহন পুল) অন্তত ৪২টি গাড়ি প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন বা না থাকবেন সেটা পুরোটাই নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর। প্রতিবার মন্ত্রিসভা গঠনের আগে অনেকের ব্যাপারে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তাদের বড় অংশের নাম থাকে না। আবার যাদের ব্যাপারে কোনো আলোচনাই হয় না তাদের কেউ কেউ স্থান পান মন্ত্রিসভায়।


