Homeমুল পাতাপরীমণির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিল্পী সমিতিকে আইনি নোটিশ

পরীমণির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিল্পী সমিতিকে আইনি নোটিশ

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

সাংবাদিকদের হয়রানি ও জাতীয় সংগীত অবমাননার ঘটনায় পরীমণির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে পরীমণিকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে নোটিশে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার এই নোটিশ পাঠান। ৭ দিনের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে আগামী ৭ দিনের মধ্যে চিত্রনায়িকা পরীমণিকে আদালত প্রাঙ্গণে সংঘটিত ঘটনার জন্য লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সকল প্রকার অশ্লীল কথা বা সংলাপ, হুমকি প্রদান, অশ্লীল অভিনয়, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, অশ্লীল নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য যাহা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যার কোনো শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই—এমন কর্মকাণ্ড করা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মারধর, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে ঢাকার সাভারের বোট ক্লাবের পরিচালক নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলে গত ৫ নভেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান পরীমণি।

এ দিন সকালে ১০ জন নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে আদালতে আসেন এই অভিনেত্রী। আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছালে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁর গাড়ির আশপাশে থাকা আইনজীবী, সাংবাদিক ও বিচারপ্রার্থীদের সরিয়ে দিতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকজনকে মারধরও করা হয়। এতে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়।

ঘটনার সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের শিকার হন সাংবাদিকেরাও। তাঁদের মধ্যে জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক আশিকুজ্জামান ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আব্দুল্লাহ আল কাউছারও পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীদের মারধরে আহত হন।

আশিকুজ্জামানের পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে। কাউছারের কাঁধ ও হাতে আঘাত লাগে। এ সময় আশিকুজ্জামানের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে আহত দুই সাংবাদিককে আদালতসংলগ্ন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

আগামী সময়ের প্রতিবেদক সিয়াম হোসেন জানান, পরীমণি গালিগালাজ করে তাঁর হাতে খামচি দিয়েছেন, ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও গায়ে হাত দিয়েছেন।

সমকালের প্রতিবেদক রবিউল হোসেনও অভিযোগ করেন, পরীমণি তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছেন।

ঘটনার পর ক্ষুব্ধ সাংবাদিকেরা আদালত পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। ঘটনাস্থলে ঢাকা জেলার আদালত পরিদর্শক কামাল উদ্দীনসহ আদালত পুলিশের একাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিকেরা।

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়