প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
ময়মনসিংহের ত্রিশালে একটি চলন্ত মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন।
রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাঘামারার রাঙামাটি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আবু বকর।
পুলিশ জানায়, নিহত চারজনের মধ্যে ইতোমধ্যে দুইজনে পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। তারা হলেন, ধোবাউড়া উপজেলার খামারভাসা গ্রামের দুলেনা (৪০) ও রেজিয়া (৩৫)।
আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
ত্রিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবুল কালাম বলেন, মাইক্রোবাসটি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে।
এদিকে বগুড়ার নন্দীগ্রামে সিএনজি চালিত অটোরিকশার সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। সোমবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ডে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলার দামগাড়া গ্রামের মৃত আবু তালেবের ছেলে অটোরিকশা চালক হেফজুল ইসলাম (৪৫)। ওমরপুর গ্রামের তানসেন আলীর ছেলে আব্দুল আলিম (৩) ও নামুইট গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে রাজশাহী সিটি কলেজের শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম (২২)।
এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন । তাদের মধ্যে পিকআপ ভ্যানের চালক ও সহকারীসহ চারজন সিএনজি চালিত অটোরিকশার যাত্রী। বর্তমানে তারা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, নন্দীগ্রাম থেকে যাত্রী নিয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশা বগুড়া শহর দিকে যাচ্ছিল। নাটরোগামী পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশা দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই চালকসহ তিনজন মারা যান। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পিকআপের চালক- হেলপারসহ আহত অবস্থায় ছয়জনকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে পাঠিয়েছে।


