প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
দেশের খ্যাতিমান নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী মডেল, অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। ইতিমধ্যেই বিবাহিত জীবনের ১৩ বছর পার করেছেন এই তারকা দম্পতি। শনিবার ( ১৫ জুলাই) রাতে ফারুকী তার ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট করেন। সেই পোস্টের আলোকে এতটুকুই বোঝা যায়, ব্যক্তিজীবনের পাশাপাশি সবক্ষেত্রেই ফারুকী কতটা ভরসা ও বিশ্বাস করেন তিশাকে।
জীবনের সময়ের বাঁকে কখন যে বিবাহিত জীবনের ১৩ বছর পার হয়ে গেছে, কখনও তা বুঝতেই পারেনি এ তারকা দম্পতি। এ সময়ের মাঝেই তারা জীবনে নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে গেছেন। তবে একজন অন্যজনের হাত ছেড়ে দেননি বরং আরও শক্ত করে হাত ধরে পাড়ি দিয়েছেন বন্ধুর পথ।
ফারুকীর পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় ভাসছেন এ তারকা দম্পতি। ফারুকীর ওই আবেগঘন পোস্টে ভক্তদের মন ছুঁয়ে গেছে। পাশাপাশি তিশাও একই সময়ে তার ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন।
ফারুকী লেখেন, ‘জীবন কখনো কখনো নিজের মতো করেই স্ক্রিপ্ট লেখে। আমাদের বিয়ের তেরো বছর পূর্তিতে তিশা পরিকল্পনা করলো- আমরা বিয়েতে যে পোষাক পরছিলাম সেটা পরেই তেরো বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটা ফটোশুট করবো। সেই একই মানুষ, একই পোষাক, শুধু সময়টা এগিয়ে গেছে, আর আমাদের জীবনে এসেছে ইলহাম।
তো সেই অনুযায়ী আমরা ভাবছিলাম কোথায় যাওয়া যায়! ঢাকার কাছেই হিজল তমাল নামে একটা পিকনিক স্পট আছে। ওখানেই গেলাম। গিয়েই খেয়াল হলো এর মালিকের বাড়ীতেই নিখোঁজ সংবাদ শুটিং হইছিলো। আর সেই স্পটেই আমি তিশাকে বিয়ের প্রস্তাব দিছিলাম। আজকে তেরো বছর পর সেখানেই আসাটা মহাজাগতিক এক পরিকল্পনাই বটে।
তেরো বছরে আমরা অনেক চড়াই-উতরাই পার হইছি। বাচ্চা নেয়া নিয়ে অনেক কিছুর মুখোমুখি হইছি। কিন্তু নিঃসন্দেহে এই জার্নিটা ছিলো অসাধারন। তোমার কাছে কৃতজ্ঞতার তালিকাটা অনেক বড়। কত বড় বড় বিষয় থেকে শুরু করে তুচ্ছ বিষয়ে তোমার উপর নির্ভর করি। তোমাকে ছাড়া বিদেশে গেলে এখনো রাতের বেলা বাতি নিভাইতে পারি না, ভয় পাই। ভাবি একা একা যাবো কিভাবে এই দুনিয়া থেকে? অথচ কি আশ্চর্য আমরা একা একাই বড় হইছিলাম এই দুনিয়ায়!!
আরো কত কিছু বলতে মন চায়। তার চেয়ে বরং বলি, লাভ ইউ তিশা। হ্যাপি অ্যানিভারসারি টু আস’।
এদিকে তিশা তার ফেসবুকে লেখেন, ‘২০১০ এর এই দিনটাতে আমাদের বিয়ে হয়। আজ ২০২৩। দেখতে দেখতে তেরোটা বছর এক সাথে কাটিয়ে দিলাম। তাই ভাবলাম একই পোষাকে, একই মানুষের সাথে আবার বিয়ে হোক। জীবনে যোগ হয়েছে শুধু ইলহাম। আর বিয়োগ হয়েছে সময়। বাকি সবকিছু আগের মতোই আছে।
ধন্যবাদ তোমাকে, এত বছর আমাকে সহ্য করার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ।
লাভ ইউ সো মাচ । হ্যাপি ম্যারেজ অ্যানিভার্সারি’।


