প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
ওয়ানডে বিশ্বকাপের এবারের আসরে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে আজ মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। প্রথম তিন ম্যাচের দুইটিতেই হেরে যাওয়া টাইগারদের প্রতিপক্ষ আজ স্বাগতিক ভারত।
আর রোহিত শর্মার দলের বিপক্ষেম্যাচে আজ একাদশে নেই সাকিব আল হাসান। চোটের কারণে তিনি খেলতে না পারায় আজ অধিনায়কত্বের ভার নাজমুল হোসেন শান্তর কাঁধে। এদিকে নিয়মিত অধিনায়ককে ছাড়া খেলতে নেমে টসে জিতে আগে ব্যাটিং নেন টাইগার কাপ্তান।
আর ব্যাটিং ইনিংসের সূচনায় দুর্দান্ত এক রেকর্ড গড়েছেন লিটন দাস এবং তানজিদ তামিম। টুর্নামেন্টের এবারের আসরে আজই প্রথম ওপেনিং জুটি খেলেছে পাওয়ার প্লের পুরোটাই। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির রেকর্ডও গড়েছেন এ দুজন।
আজকের ম্যাচের আগে এবারের আসরে এ দুজন ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ করেছিলেন ৪.১ ওভারে ১৯ রান। যা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টপকে গেছেন লিটন-তামিম। ভারতীয় বোলারদের বিপক্ষে আজ দেখেশুনেই খেলা শুরু করেছেন এই দুই টাইগার ওপেনার।
জস্প্রীত বুমরাহ-মোহাম্মদ সিরাজদের বিপক্ষে আজ লিটন রানের খাতা খুলতে খেলেছেন ১৪টি বল। প্রথম ৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল মোটে ১০। তবে এরপরের ওভারেই দুইটি চার মারেন লিটন। টাইগারদের স্কোরও পরে বাড়তে থাকে ধীরে ধীরে। সপ্তম ওভারের শেষ বলে বুমরাহর বলে দারুণ এক ছয় হাঁকিয়ে দুর্দান্ত কিছুর ইঙ্গিত দেন তামিমও।
দুজন মিলে জুটি গড়ে খেলে পাওয়ার প্লেতে স্কোরবোর্ডে তুলেছেন ৬৩ রান। শার্দুল ঠাকুরের করা দশম ওভারে পরপর তিন বলে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে তামিম তুলে নিয়েছেন ১৬ রান। লিটন-তামিমের ওই ওপেনিং জুটি এরপর স্থায়ী হয়েছে ১৪.৪ বল পর্যন্ত। পঞ্চদশ ওভারে কুলদীপ যাদবের বল সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেটের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন তামিম। আউট হবার আগে অবশ্য তুলে নিয়েছেন নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক।
তামিম আউট হবার আগে লিটনের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে স্কোরবোর্ডে তুলেন ৯৩ রান। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে এটিই এখন সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং জুটি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল মেহরাব হোসেন অপি এবং শাহরিয়ার হোসেনের। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে এ দুই টাইগার ওপেনার করেছিলেন ৬৯ রান। এছাড়া বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রামের ওপেনিং জুটিও এটিই। এর আগে রেকর্ডটি ছিল তামিম ইকবাল এবং ইমরুল কায়েসের দখলে। ২০১১ বিশ্বকাপে দুজন মিলে তুলেছিলেন ৫৬ রান।


