Homeসংবাদচাঁদপুর-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চালু শিগগিরই

চাঁদপুর-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চালু শিগগিরই

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলাম বলেছেন, কবে থেকে চাঁদপুর-কক্সবাজার ট্রেন চালু হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে আমাদের কক্সবাজার স্টেশনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। সেখানে কিছু ব্রিজ ও অবকাঠামোগত কাজ চলমান। সবকিছু শেষ হওয়ার পর শিগগিরই চাঁদপুর-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চালু হতে পারে।

বৃহস্পতিবার চাঁদপুর রেলস্টেশনের অবকাঠামোসহ তিন নদীর মোহনার উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মহাব্যবস্থাপক বলেন, যাত্রীদের চাহিদার আলোকে আমরা ট্রেনের সময়সূচি নির্ধারণ করি। এটি আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। ভবিষ্যতে এ রুট বর্ধিত করতে পারি। তবে দীর্ঘদিন যেহেতু চাঁদপুর-চট্টগ্রাম যাত্রী চলাচল করছে, সেখানে হুট করে চাঁদপুর থেকে কক্সবাজার ট্রেন চালু করলে চট্টগ্রামের যাত্রীদের আসন কীভাবে দেওয়া হবে? একটি নতুন রুট চালু করার জন্য নতুন ইঞ্জিন ও লোকোমাস্টারের প্রয়োজন আছে। এটির সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত আছে।

তিনি আরো বলেন, রেলওয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে চাঁদপুরে আসা। এখানে আমাদের বেশকিছু উন্নয়নকাজ চলমান। সেগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। এখানে যেসব অবৈধ স্থাপনা রয়েছে সেগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ নেয়া যায় সে পরিকল্পনাও করা হবে।

চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটের মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আরো আধুনিক করা হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল ইসলাম বলেন, এই ট্রেনটিতে এখন যাত্রীদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। এটি আধুনিক করা হবে, তবে সময় লাগবে। কারণ পদ্মাসেতু নির্মাণের পর লঞ্চে দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা যাত্রী কিছুটা কমেছে। তা আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি। তবে আমরা সবসময় যাত্রীদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি।

রেলওয়ের চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক বলেন, আমাদের পরিকল্পনা আছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রেলওয়ের সম্পত্তি দখলমুক্ত করা। কোনোভাবেই অবৈধ দখলদারদের সুযোগ দেওয়া হবে না। স্থানীয় প্রশাসন এবং সচেতন নাগরিকরা এগিয়ে এলে আমাদের পক্ষে এগুলো দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রেলওয়ে চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম, প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা সুজন চৌধুরী, বিভাগীয় প্রকৌশলী (১) মো. হানিফ, বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তারেক মো. ইমরান, সিনিয়র উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ ও পূর্ত, লাকসাম) লিয়াকত আলী মজুমদার, রেলওয়ে নিরাপত্তা বিভাগের চিফ ইনচার্জ মো. সালামত উল্লাহ, চাঁদপুর রেলস্টেশনের মাস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সোয়াইবুর শিকদার প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়