প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর বাজারে অন্যান্য জিনিসের দাম কমলেও উল্টো পথে হাঁটছে চালের বাজার৷দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন প্রকার চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৪ টাকা৷বস্তা প্রতি বেড়েছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার হাজী জয়নাল আবেদীন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে চাল।
ব্যবসায়ীদের কাছে বাড়তি দামের কারণ জানতে চাইলে পাইকার ও আড়তদারদের দুষলেন তারা। একই সঙ্গে সরকারের নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রতিও অভিযোগ করেছেন তারা৷
বাজারের মায়ের দোয়া রাইস এজেন্সির মালিক আব্দুল হান্নান ঢাকা মেইলের সঙ্গে আলাপকালে জানান, আগস্টের শুরুতে চালের দাম বর্তমানের তুলনায় কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা কম ছিলো। সরকার পতনের পর চালের দাম বেড়েছে।
দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা আসলে ভুল জায়গায় আসছেন। আপনাগো ধরা উচিত মিল মালিকদের। আমরা কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা লাভে চাল বিক্রি করি। দাম ওঠা-নামার সঙ্গে আমরা জড়িত না।
তিনি আরও বলেন, সরকার পতনের পর কোনো সংস্থার লোক দেখি নাই। কেউ যদি মনিটরিং না করে তাহলে মিল মালিকরা তো ইচ্ছা মতো দাম বাড়াবোই।
একই তথ্য জানিয়েছেন আরেক চাল বিক্রেতা সরোয়ার আলম। ঢাকা মেইলকে তিনি বলেন, বন্যা হইতাছে৷ওইদিকে অনেক চাউল গেছে৷মিল মালিকরাও সুযোগে আছে৷তাদেরকে ধরেন।
এদিন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মিনিকেট নামে বিক্রি করা চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭২ টাকা কেজি দরে। যা দুই সপ্তাহ আগেও ৬৮ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে ছিলো।
বাজারে চাহিদার শীর্ষে থাকা আটাশ চালের কেজি ৬০ টাকা। মধ্যবিত্তের চাল হিসেবে পরিচিত এই চালটি দুই সপ্তাহ আগেও ছিলো ৫৭-৫৮ টাকা।
কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা হারে বৃদ্ধি পেয়ে পাইজাম ৬০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বর্তমানে নাজিরশাইল ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এই দাম আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
বাজারে সবচেয়ে কম দামে মিলছে হাইব্রিড চাল। কেজি ৫০ টাকা৷ বিক্রেতাদের মতে, কিছুটা লালচে ধরণের এই চালের খদ্দের একেবারে দরিদ্র পর্যায়ের মানুষ৷
এছাড়া বাজারে আতব চাল ৫০ টাকা এবং পোলাও এর চাল ১০০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


