Homeচট্টগ্রামচট্টগ্রামে নতুন পর্যটন কেন্দ্র হতে যাচ্ছে ৭২ একর জায়গার সার্ভিস এরিয়া

চট্টগ্রামে নতুন পর্যটন কেন্দ্র হতে যাচ্ছে ৭২ একর জায়গার সার্ভিস এরিয়া

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

কর্ণফুলী টানেলের সার্ভিস এরিয়ার ভিআইপি কটেজ-বাংলো, মোটেল, রেস্তোরাঁসহ সেবা খাতের বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা পরিচালনার জন্য ইজারা (লিজ) দিতে যাচ্ছে সেতু বিভাগ। এ জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্রও আহ্বান করা হয়েছে।  কর্ণফুলী টানেলের পুরো সার্ভিস এরিয়া বার্ষিক ভিত্তিতে ইজারা দেওয়া হবে।

সেতু বিভাগ বলছে, সার্ভিস এরিয়া সব স্থাপনাসহ পরিচালনার জন্য ইজারা দিলে সেতু বিভাগের আয় বাড়বে এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমবে। আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন এসব সার্ভিস এরিয়া পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। কারণ, সেখানে কটেজ, বাংলো, মোটেল, কনভেনশন হল, কনফারেন্স রুম, রেস্তোরাঁ, ফুড কোর্ট, সুইমিং পুল, খেলাধূলার ব্যবস্থাসহ অবকাশ কাটানোর সব আয়োজনই রয়েছে। ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল লোকসানি প্রকল্প। রক্ষণাবেক্ষণের খরচই উঠছে না। সার্ভিস এরিয়া বাণিজ্যিকভাবে পরিচালনার জন্য ইজারা দিলে কিছু অর্থ আসবে।

জানতে চাইলে সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ কর্ণফুলী টানেলের সার্ভিস এরিয়া ইজারা দিতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের বিষয়টি নিশ্চিত করে  বলেন, উন্মুক্ত দরপত্রে যে কেউ আবেদন করতে পারবে। এই ইজারা দেওয়া হচ্ছে পর্যটন খাতে ব্যবহারের জন্য। বিশেষ করে হোটেল, মোটেল, পর্যটনকেন্দ্র ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জন্য। প্রায় ৩০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হবে। ইজারা দিলে কিছু রাজস্ব আয় হবে এবং মানুষ এগুলো ব্যবহার করতে পারবে। সার্ভিস এরিয়ায় যেসব স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো আন্তর্জাতিক মানের।

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেল কর্ণফুলী টানেল উদ্বোধন করা হয় ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর। সেতু ও টানেল ব্যবহার করা হলেও সার্ভিস এরিয়ার কটেজ, মোটেলসহ অন্যান্য স্থাপনার ব্যবহার নেই। এ জন্য পদ্মা সেতুর একটি এবং টানেলের দুই প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেতু বিভাগ। এ জন্য ১ জুলাই আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহীরা আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত দরপত্র জমা দিতে পারবেন।

কর্ণফুলী টানেলের দুই প্রান্তে সার্ভিস এরিয়া ৭২ একর। সেখানে রয়েছে ৩০টি ভিআইপি বাংলো, ৪৮ ইউনিটের মোটেল মেস, কনভেনশন সেন্টার, রিসোর্ট রিসিপশন ভবন, রেস্তোরাঁ, দোকান, জিম, অফিস, কনফারেন্স রুম, সুইমিংপুল, খেলার মাঠ, টেনিস কোর্ট, বিনোদন এলাকা, থিয়েটার, জাদুঘর, মসজিদ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ অন্যান্য সুবিধা। এই সার্ভিস এরিয়া নির্মাণে খরচ হয় প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা। টানেল প্রকল্পটি এখন লোকসানি। দিনে রক্ষণাবেক্ষণে ৩৭ লাখ টাকার বেশি খরচ হলেও টোল বাবদ আয় হচ্ছে ১০ লাখ টাকার কিছু বেশি।

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়