প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চট্টগ্রাম নগরে এক বছর আগে খুন হওয়া হাসান তারেক হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে বলে দাবি করেছে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।
আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে সিএমপির সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির ডিসি (পশ্চিম) মাহবুব আলম খাঁন এই দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারেক মাদক কারবারিদের একটি চালান পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন পুলিশে হাতে গ্রেপ্তার আলাউদ্দিন আলো।
লিখিত বক্তব্যে ডিসি মাহবুব বলেন, গত বছর ১০ জানুয়ারি হাসান তারেক পুলিশকে একটি মাদকের চালানসহ মাদককারবারি মোর্শেদ আলম সোহেলকে ধরতে সহযোগিতা করেন।
সোহেল কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে মাদকের সেই চালানের অপর দুই মালিক শওকত আকবর ও আলাউদ্দিন আলোকে নিয়ে নগরীর জামালখানে বসে হাসান তারেককে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
ডিসি মাহবুব আরো বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা তারেককে বায়েজিদ লিঙ্ক রোডে নিয়ে গলায় নাইলনের রশি পেঁচিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর তারেকের লাশ পুনরায় সিএনজিতে নিয়ে সিটি গেইট থেকে ঘুরে কালুশাহ মাজার হয়ে সি-বিচের সড়কে গিয়ে পাহাড়তলী থানাধীন খেজুরতলী রাসমনি ঘাটসংলগ্ন এলাকায় নিয়ে যান। এরপর ওই এলাকার লিংক রোডের পশ্চিম পাশে রানী পুকুরপাড় এলাকায় তা ফেলে দেন।
পরে আলোসহ আসামিরা সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে পাহাড়তলী থানার সামনে দিয়ে ওয়াসার রেস্টুরেন্টে গিয়ে রাতের খাবার খান। এরপর অপর আসামি শওকত হত্যাকাণ্ডে খরচের জন্য আগের মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী আলাউদ্দিন আলোর হাতে ২০ হাজার টাকা তুলে দেন। হত্যায় অংশ নেওয়া সবাই সেই টাকা ভাগ করে যার যার মতো চলে যান।
গ্রেপ্তার আলো নোয়াখালী সুধারাম উপজেলার মাসিমপুরের তোফায়েলের ছেলে।
তার বিরুদ্ধে সিএমপির বিভিন্ন থানায় ১৮টি মামলা রয়েছে। আলোকে আদালতে সোপর্দ এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে ডিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ডিসি মাহবুব।


