Homeমুল পাতাছুরিকাঘাতের পর শরীরে আগুন, মারা গেলেন সেই খোকন

ছুরিকাঘাতের পর শরীরে আগুন, মারা গেলেন সেই খোকন

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ছুরিকাঘাতের পর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়া ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাস মারা গেছেন। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) গভীর রাতে ডামুড্যা থানায় খোকন দাসকে ছুরিকাঘাত ও আগুন দেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়।

তারা হলেন কনেশ্বর এলাকার সোহাগ খান (২৭), রাব্বি মোল্লা (২১) ও পলাশ সরদার (২৫)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন খোকন। পথে কেউরভাঙ্গা বাজারের অদূরে ডামুড্যা-শরীয়তপুর সড়কে দুর্বৃত্তরা তাঁকে বহনকারী অটোরিকশার গতিরোধ করে তাঁকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

পরে তাঁর মাথা ও মুখে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় জীবন বাঁচাতে খোকন সড়কের পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার খোকনের শরীরে অস্ত্রোপচার করা হলেও শরীরের বড় একটি অংশ পুড়ে যাওয়ায় এবং আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে রাখা হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার সকালে মারা যান খোকন দাস।

বোনজামাই প্রাণ কৃষ্ণ বলেন, ‘উন্নত চিকিৎসার জন্য খোকনকে ঢাকা নিয়ে যাই। সেখানে আজ (শনিবার) সকালে তিনি মারা যান।

পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ সাজার দাবি জানাই।
ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক  বলেন, আজ সকালে খোকন মারা যান। ঘটনার পর থেকে আসামিদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। তাদের সম্ভাব্য অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুতই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়