সোমবার, মে ২৫, ২০২৬
spot_img
Homeএই মুহুর্তে‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ভিসা ব্যবস্থার ঘোষণা দিল যুক্তরাষ্ট্র

‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ভিসা ব্যবস্থার ঘোষণা দিল যুক্তরাষ্ট্র

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে নতুন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ভিসা শিডিউলিং ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার চার দিনের ভারত সফরের সময় এই উদ্যোগের কথা জানান।

নতুন এই টুলের মূল উদ্দেশ্য হলো-যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, তাদের ভিসা প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও অগ্রাধিকারভিত্তিক করা। বিশেষ করে ভারতীয় ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধি এবং যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা এই সুবিধা বেশি পাবেন।

রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ নয়; বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা দ্রুত বাড়ছে। তার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে। পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামরিক মহড়া ও নিরাপত্তা সহযোগিতাও আরও জোরদার হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চয়তায় ভরা ভিসা প্রক্রিয়া অনেক সময় ব্যবসায়িক সফর, বিনিয়োগ আলোচনা ও অংশীদারত্বের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। নতুন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ টুল সেই সমস্যার সমাধান করবে বলে আশা করছে ওয়াশিংটন।

এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদনকারীদের গুরুত্ব ও সফরের উদ্দেশ্য বিবেচনায় দ্রুত সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ, যারা যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ, বাণিজ্যিক চুক্তি, প্রযুক্তি সহযোগিতা বা কৌশলগত অংশীদারত্বে ভূমিকা রাখবেন, তারা সাধারণ আবেদনকারীদের তুলনায় দ্রুত ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে পারেন।

রুবিও আরও বলেন, নতুন এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা শুধু আবেদনকারীদের জন্য নয়, মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের কাজও সহজ করবে। এতে কম সময়ের মধ্যে আরও দ্রুত, নির্ভুল ও কার্যকরভাবে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

তার ভাষায়, ‘এই সুবিধা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সাশ্রয় করবে এবং আমাদের কাজকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করে তুলবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে আরও কাছে টানতে এবং চীনকে মোকাবিলায় ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে জোট শক্তিশালী করতেই যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি, উৎপাদন ও বিনিয়োগ খাতে ভারতীয় অংশীদারত্ব বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়াশিংটন।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়