‘অনেকে আমাদের দুর্বল করতে চায়। আমাদের মধ্যে যে গুপ্ত নেই, এমন নয়। কিছু গুপ্ত তো থাকেই, তারা বিভিন্ন সময়ে রং বদলায়।’ নিজেদের মধ্যে এমন ব্যক্তিদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, কাউকে কোনো কাজ করানোর বা কোনো দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন হলে পাঁচজনের মধ্যে তিনজন এসে আপত্তি জানান। তাঁরা বলেন, ‘ও তো অমুক ছিল, ও তো অমুকের কাছে এরকম ছিল।’ এ ধরনের বিষয়গুলো থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
নিজের অতীতের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা কখনো প্রশাসনে ছিলাম না। আমি এমন এক ব্যক্তি ভাইস চ্যান্সেলর হয়েছি, ১৭ বছরে একটা তদন্ত কমিটির সদস্য আমাকে কেউ করেনি এবং ১৭ মাসের যারা সরকারে ছিল, তারাও কিন্তু একটা কমিটিতে রাখেনি। ফলে আমার এই ধরনের অনুষ্ঠানেও আসার সুযোগ হয়নি। আমি ওই ধরনের ব্যক্তিও ছিলাম না। সুতরাং এখান থেকে আমাদের শেখার বিষয় আছে।’
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ ও গতিশীলভাবে এগিয়ে নিতে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে মতভেদ, ভুল বোঝাবুঝি ও অভিমান দূরে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। উপাচার্য হিসেবে তিনি সবার পরামর্শ ও সহযোগিতা চান।
এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে একটি হল করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান সভাপতিত্ব করেন। এতে আলোচক হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম।


