প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চট্টগ্রামে প্রায় ৪৫ হাজার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা চেয়ে গতকাল বুধবার থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি দেওয়া শুরু করেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়। আগের নির্বাচনের চেয়ে এবার জেলায় প্রায় আট হাজার বেশি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা লাগবে। এরই মধ্যে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী বিভিন্ন সামগ্রী চলে এসেছে চট্টগ্রামে।
চট্টগ্রামে এবার ১৬টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ৬৩ লাখ ৯৬৪ জন।
আগের নির্বাচন থেকে এবার প্রায় পৌনে সাত লাখ ভোটার বেশি। এবার ভোটকেন্দ্র, ভোটকক্ষও বাড়ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রামে ১৬টি আসন। ভোটগ্রহণ হবে দুই হাজার ২২টি কেন্দ্রের ১৩ হাজার ৭৪১টি ভোটকক্ষে।
আর এই নির্বাচনে প্রায় ৪৫ হাজার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা লাগবে। এর মধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য একজন করে মোট দুই হাজার ২২ জন প্রিজাইডিং অফিসার লাগবে। বাকিরা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারসহ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা। এ জন্য আজ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা চেয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে।
এরপর এসব কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
একাদশ জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রামে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল এক হাজার ৯৫৮টি। ভোটকক্ষ ছিল ১১ হাজার ৮৫৪টি। ভোটার ছিলেন ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৪৬৫ জন। অর্থাৎ দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোটার বেড়েছে ছয় লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৯ জন। ভোটকেন্দ্র বেড়েছে ৬৪টি এবং ভোটকক্ষ বেড়েছে এক হাজার ৮৮৭টি।
নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম আগেই চলে এসেছে চট্টগ্রামে। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী তা বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া নির্বাচনের সরঞ্জাম পাঠানোর বস্তা ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রামে ১৬ হাজার ৪৪০টি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এরই মধ্যে চলে এসেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, চট্টগ্রামে ১৬ আসনে এবার পুরুষ ভোটার ৩২ লাখ ৭৯ হাজার ৬২ জন, আর মহিলা ভোটার ৩০ লাখ ২১ হাজার ৯০২ জন। চট্টগ্রামে ১৬টি আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরে পড়েছে চারটি। বাকিগুলো পড়েছে বিভিন্ন উপজেলায়।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, ‘নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য অনেক সরঞ্জাম এরই মধ্যে চট্টগ্রামে চলে এসেছে। কিছু সরঞ্জাম আসা বাকি আছে। এগুলোও পর্যায়ক্রমে চলে আসবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক প্রযোজনীয় প্রস্তুতি শেষ করেছি। ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আসনভিত্তিক ভোটার তালিকাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।


