সোমবার, মে ১১, ২০২৬
spot_img
Homeচট্টগ্রামবিএনপির কর্মীরা কারগারকে ভয় পায় না : নজরুল ইসলাম খান

বিএনপির কর্মীরা কারগারকে ভয় পায় না : নজরুল ইসলাম খান

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচনী খেলার আগে অল্প কিছুদিনের মধ্যে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অন্তত ১৫শর বেশি নেতাকর্মীকে সাজা দেওয়া হয়েছে। অন্যায়ভাবে তাদেরকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।  এটি আমাদেরকে ভয় দেখানোর জন্য করা হয়েছে। আমরা ভয় পাইনি। ওঠাতো ছোট জেল, এই সরকার গোটা বাংলাদেশকে কারাগার বানিয়ে রেখেছে। বিএনপির কোনো কর্মী ওই ছোট কারগারকে ভয় পায় না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে জনগণের কোন মূল্য নেই। তাই তারা জনগণের স্বার্থের কথা চিন্তা করছে না। নিজেদের আখের গোছানোর জন্য সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণকে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। সাধারণ মানুষ আজ পরিবার পরিজন নিয়ে দিশেহারা।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার দাবি যেন আদায় করতে না পারি তার জন্য আজকে মিথ্যা বানোয়াট একটি মামলায় আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে পারবেনা। তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজপথে আছি, আন্দোলন চলতে থাকবে।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আন্দোলন চলবে, হয়তো একটু সময় লাগছে। কিন্তু বিদায় নিতে হবেই।

জালাল উদ্দীন মজুমদার বলেন, আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার পর থেকেই একটা অত্যাচারী রাজনৈতিক দল হয়ে ওঠেছে। তারা সিন্ডিকেট করে সব কিছুর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

আবু সুফিয়ান বলেন, পাঁচ ভাগ মানুষের ভোট নিয়ে এই সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। আওয়ামীলীগের এই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উত্তর জেলা বিএনপি’র সি. যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হালিম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক এনাম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এড. আবদুস সাত্তার, এস এম সাইফুল আলম, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, নুরুল আমিন, আলহাজ্ব সালাউদ্দীন, নূর মোহাম্মদ, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, সরওয়ার আলমগীর, কাজী সালাউদ্দিন, আহবায়ক কমিটির সদস্য মোশারফ হোসেন, হারুন জামান, কর্নেল আজিম উল্লাহ বাহার, জসিম উদ্দিন শিকদার, মাহবুব আলম, নিয়াজ মো. খান, এস এম আবুল ফয়েজ, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আনোয়ার হোসেন লিপু, মন্জুর আলম চৌধুরী মন্জু, মো. কামরুল ইসলাম, এড. আবু তাহের, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, সেলিম চেয়ারম্যান, এড. ফোরকান, এম মঞ্জুর উদ্দিন চৌধুরী, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, এস এম মামুন মিয়া, মজিবুর রহমান, এড. নূরুল ইসলাম, এড. ফৌজুল আমিন, খোরশেদ আলম, মফজল আহমদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম সওদাগর, ভিপি মোজাম্মেল, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী জাহেদ, হুমায়ুন কবির আনসার, হাজী মোহাম্মদ রফিক, ইসহাক চৌধুরী, হামিদুল হক মান্নান চেয়ারম্যান, এহসানুল মাওলা, নূরুল কবির, মঈনুল আলম ছোটন, শফিকুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন, এড. কাশেম চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লাহ বাহার, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি নার্গিস আক্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনিরুল আলম জনি, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মনজুর আলম তালুকদার, সদস্য সচিব জমির উদ্দিন চৌধুরী, ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল হোসেন রবি, সদস্য সচিব কামরুদ্দিন সবুজ প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়