Saturday, June 27, 2026
spot_img
Homeচট্টগ্রামটেকনাফ সীমান্তে আতঙ্কে বাসিন্দারা

টেকনাফ সীমান্তে আতঙ্কে বাসিন্দারা

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

সারাদিন সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে মিয়ানমারের ওপারে শুরু হয় ফের গোলাগুলি। থেমে থেমে গোলাগুলি চলে টেকনাফ উপজেলার উনচিপ্রাং সীমান্তের ওপারে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উখিয়ার পালংখালীর আনজুমান পাড়ায় একটি গ্রেনেড দেখতে পেয়ে বিজিবিকে খবর দেন স্থানীয়রা। বিকেলে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে বিজিবি। অন্যদিকে ঘুমধুম সীমান্তের নয়াপাড়ায় শিশুরা খেলতে গিয়ে একটি মর্টারশেল দেখতে পান।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সারাদিন ঘুমধুম সীমান্তের নয়াপাড়ায় গোলাগুলির শব্দ না থাকলেও খেলতে গিয়ে শিশুরা একটি মর্টারশেল দেখতে পায়। একপর্যায়ে শিশুরা এই মর্টারশেল নিয়ে খেলা করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের চোখে পড়লে মর্টারশেলের কাছে না যেতে শিশুদের সতর্ক করেন এবং বিজিবিকে খবর দেয়। পরে সেটিও উদ্ধার করে বিজিবি।

টেকনাফ উনচিপ্রাং সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা আমির হামজা ও আব্দুল খালেক বলেন, বৃহস্পতিবার সারাদিন গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। তবে সন্ধ্যা নাগাদ মিয়ানমারের ওপারে বেশ কয়েকটি গুলির আওয়াজ শোনা যায়। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তারা আরো বলেন, আতঙ্কে সীমান্ত এলাকায় কাজেও বের হতে পারছি না। খুব ভয় হচ্ছে। ঘর রেখে অন্য কোথাও চলে যেতে পারছি না। রাতে ও ভোরে গোলাগুলি শুনতে পাই। তবে সারাদিন কোনো গোলাগুলির শব্দ শুনিনি।

উখিয়া পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বৃহস্পতিবার সারাদিন গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল আশরোকি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রিত ১০০ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) সদস্যকে টেকনাফের হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

নতুন করে বৃহস্পতিবার বিকেলে উলুবনিয়া সীমান্ত দিয়ে আরো দুইজন মিয়ানমারের বিজিপি সদস্য আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে চলে এসেছিল। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ৩৩০ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়